‘এক্সিডেন্ট ও বন্ধুত্ব’-বাঙালি বৈমানিক রেহমান রুদ্রের লেখা ।।

13
522

এক্সিডেন্ট ও বন্ধুত্ব।

রেহমান রুদ্র।।

অতীতের কিছু ঘটনা থাকে যা কিছুতেই ভুলে যাবার নয়। মন যখন স্মৃতির ভেলায় ভাসে তখন পুরানো দিনের ঝাঁপি খুলে কিছু স্মৃতি মনের দুয়ারে এসে উঁকি দিয়ে যায়। আশানিরাশার দোলাচল নিয়ে প্রতিটি মানুষ জীবনের পথ পাড়ি দেয়। ভালমন্দ, সঠিক কিংবা ভুল, এসব অনেক ক্ষেত্রে বিতর্কের বিষয় হয়ে দাড়ায়।
দুর্বার মাত্র হাইস্কুলে উঠেছে। নিজেকে বেশ বড়বড় মনে হচ্ছিল। মাষ্টার মহাশয়গণের ধারনা বুঝি অনেকটাই একরকম । স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিলেন সবাই বড় হয়েছে, এখন প্রাইমারি স্কুলের সবকিছু ত্যাগ করতে হবে। হাইস্কুলে শিশুসুলভ আচরন বরদাস্ত করা হবেনা। তথাস্তু জাহাপনা, যা বলেছেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। জানতে পারা গেল, প্রতিমাসে অভিভাবকদেরকে তাদের সন্তানদের প্রগ্রেস সম্পর্কে অবহিত করা হবে। বাধ্যবাধকতার এপিসোড শুরু হয়েছে। মানুষের জীবনকে পরিপক্কতায় গুছিয়ে দিতে এসমস্ত রীতিনীতির প্রয়োজন আবশ্যিক। তারপরেও কথা থেকে যায়, একজন মানুষ তার স্বরূপ কতটুকু বদলাতে পারে।

মগজ ধোলাইয়ের বিষয়টা দুর্বার টের পেতে শুরু করেছে। স্কুলে নানারকম বিষয় নিয়ে লিখালিখি আর বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন। ঘুমিয়ে থাকা মগজকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টায় শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রম সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।
বাংলা টিচার আজ যে পড়া দিয়েছেন তা ওনার ক্লাসে ঢোকার আগে সমস্ত ছেলেমেয়েরা মুখস্ত করছিল। সবার পড়ার শব্দে নার্ভাস হয়ে যাবার মত অবস্থা। ক্লাসে এসে এভাবে কখনও হটাত করে মুখস্ত করা দুর্বারের পক্ষে সম্ভব ছিলনা। যা পড়ে এসেছে তাতেই চালিয়ে নিতে পারবে বলে তার বিশ্বাস। এসব কোরাস প্রতিযোগিতায় তার কোন আগ্রহ নেই, তাই চুপচাপ বসে ছিল। সেদিন বেশ মজার এক ঘটনা ঘটে গেল। টিচার এসে ঘোষণা দিলেন নতুন এক বিষয় নিয়ে লিখতে হবে। সাবজেক্ট দেয়ালের ব্ল্যাক বোর্ডে লিখে দিলেন। মুখস্ত বিশারদদের চেহারা দেখার মত। সবার আক্কেল গুড়ুম।
“আশা নিরাশা”।
সময় মাত্র দশ মিনিট। কমপক্ষে দশ লাইন লিখতে হবে। কেন জানি উনার এই হটাত করে সাবজেক্ট পাল্টানোর বিষয়টা দুর্বারের ভালো লাগলো। ঠিক দশ মিনিট পরে যারযার খাতা টেবিলে জমা দিয়ে আসতে হল। মাষ্টার মশাই একটা করে খাতা নিচ্ছেন আর যার খাতা তার নাম ধরে ডাকছেন। একসময় দুর্বারের নাম এল। উনি অবাক হয়ে প্রশ্ন করলেন পুরো দশ লাইনে কেবল আশার কথা। ওখানে নিরাশা নিয়ে কোন কথা নেই। বললেন, সাবজেক্ট এর বাকি অংশের কোন উল্লেখ নেই। জানতে চাইলেন, নিরাশা নিয়ে কেন লিখা হয়নি, যেখানে অন্য সবাই কিছু না কিছু লিখেছে।
দুর্বারের সহজ সরল উত্তর,
“স্যার, এমন কিছু লিখতে কিংবা ভাবতে চাইনা যেটাতে মন খারাপ হয়ে যাবে। তাই লিখিনি।“
এখনও তার মনে আছে টিচার কেমন যেন এক দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে ছিলেন, কিছু বলেননি।
আজ অব্দি কোন নিরাশা স্পর্শ করতে পারেনি তাকে। নানা উত্থানপতনের মাঝে জীবন চলছে তার নিজের মত করে। সমস্যা এসেছে আবার চলেও গেছে অথবা যায়নি। তাতে কি, উপন্যাসের পাতার মত পরবর্তী পৃষ্ঠায় চলে যেতে হয়েছে। ব্যাঙ্কে পড়ে থাকা টাকার মান নির্ধারণ করা যেমন দুঃসাধ্য ঠিক তেমনি থমকে যাওয়া জীবন অর্থহীন। ব্যর্থ কিংবা সফল জীবনে মানুষ অনেককিছুই প্রত্যক্ষ করে। এমনি এক সময়ে কোন প্ল্যান ছাড়াই এয়ারলাইনের সাথে জড়িয়ে গেল সে। নতুন পরিবেশ, অচেনা আঙ্গিকে জীবনকে দেখতে শুরু করেছে। সেই থেকে অনেকের মাঝে দুর্বারের পরিচয় হল জিসানের সাথে। হাসিখুশি আর পজিটিভ সপ্রতিভ প্রান। সময় অসময় নেই। একসাথে আড্ডা দেয়া, ঘুরে বেড়ানো, বলতে গেলে তরুন বয়সের ষোলকলা পূর্ণ হবার অজস্র ঘটনা কিংবা দুর্ঘটনার পথচারী এই জিসান।

স্মৃতির ভাণ্ডার থেকে আজ জিসান ও দুর্বারের জীবনে ঘটে যাওয়া একটা স্টোরি শেয়ার করছি। তখন শতভাগ এনালগ জীবনের সাথে বসবাস। ইন্টারনেট কি জিনিস তা কারো ধারনার মধ্যে নেই। মোবাইল ফোনের চিহ্ন নেই। এয়ারলাইনের সুবাদে প্রথম দুবাই ফ্লাইট করে এলো দুর্বার। সব বন্ধুরা অপেক্ষা করে আছে ফ্লাইটের বিস্তারিত বিবরণ শুনবার জন্য। বন্ধুদের সবাই তখনো আভ্যন্তরীণ ফ্লাইট নিয়ে ব্যস্ত ছিল। রমনা লেকের পাশে ক্যাফেতে অনেক গোলটেবিল বৈঠক হতো সবার সাথে। কিভাবে ডোমেস্টিক ফ্লাইট ছেড়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাওয়া যায় তা নিয়ে গবেষণার অন্ত ছিলনা। শেষমেশ হটাত করেই স্ট্যান্ডবাই থেকে পিকাপ হয়ে দুবাই ঘুরে আসা। পাক্কা তিনদিন একটানা দুবাই থাকা। বন্ধুদের বেশিরভাগ তখন বেন্সন এন্ড হেজেসের জন্য পাগল ছিল। ওদেরকে খুশী করতে এক কার্টন বেন্সন নিয়ে এসেছিল সে। রাতে অনেক সময় ধরে সবাই মিলে একসাথে খাওয়াদাওয়া আর ছাদে গিয়ে আড্ডা দেয়ার আনন্দ এখনো অনুভবের মধ্যে আছে।
পরদিন ছুটি থাকায় সকালে বাইক নিয়ে জিসানদের মোহাম্মদপুর বাসায় গিয়ে হাজির হয় দুর্বার। দুজনে মিলে বোটানিক্যাল গার্ডেন ঘুরতে যাবার প্ল্যান ছিল। তখনও জিসান একতলা বাসার বারান্দার দিকের রুমটায় ঘুমাচ্ছিল। ঘুম থেকে প্রায় টেনে তোলার অবস্থা। চা নাস্তা খেয়ে বের হবার মুখে হটাত ওর বাবা এসে বলল, সাবধানে যেও, রাস্তাতে অনেক ট্রাক থাকে, ওগুলো বেয়াড়াভাবে গাড়ী চালায়। সম্মতি জানিয়ে দুজনে বেরিয়ে পড়ল।
শ্যামলী ছাড়িয়ে কল্যাণপুর ক্রস করছে ওদের বাইক। একটা ট্রাক, পেছনে অনেক রডের বোঝা। রডের অর্ধেকটা ট্রাকের বাইরে বেরিয়ে আছে। ওটার ড্রাইভার কিছুতেই সাইড দিচ্ছিলনা। একসময় দেখা গেল ট্রাকটি জায়গা দিয়ে সরে গেল। হাতে ইশারা করল ওভারটেক করতে। বাইকের স্পীড বাড়িয়ে পাশ কাটানোর সময় হটাত ট্রাকের ড্রাইভার বেয়াড়াভাবে ওভারটেকের রাস্তায় ট্রাক চাপিয়ে দিল। অন্যদিক থেকে গাড়ী আর বায়ে কোন জায়গা নেই। ট্রাকের পেছনে ক্যারি করা রডগুলো একেবারে শরীর বরাবর চলে আসছে। প্রতিটি মুহূর্ত বাচামরার সিদ্ধান্ত। দুএক সেকেন্ডের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রডগুলো বর্শার ফলার মত ধেয়ে আসছে। স্পীড কমানোর অবস্থা নেই। পেছনেও গাড়ী। বাঁচার শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিয়ে ট্রাকের রডগুলো থেকে বাচতে বাইক বামদিকে ঘুরিয়ে পুরোপুরি মাটির দিকে কাত করে দিল দুর্বার।

কর্ম ক্ষেত্রে সবকিছু তার জীবন থেকে ডিসকানেক্ট হয়ে গেল। একেবারে ভ্যাকুয়াম বলতে যা বোঝায় এক্স্যাক্টলি তাই। কোনকিছুর অস্তিত্ব নেই, কোন শব্দ নেই, কোন অনুভব নেই। কোথায় রয়েছে কিংবা আদৌ বেঁচে আছে কিনা তার কোন বোধশক্তি নেই। খুব ধীরে মৌমাছির গুঞ্জনের মত হাল্কা অনুভুতি প্রথমে বাম কানে এল তারপরে ডানদিকের কানের কাছে কারা যেন কথা বলছে ঠিক বুঝা গেলনা। পলকে মনে হল পড়ে যাবার দৃশটা। মাথা কাজ করা শুরু করেছে। দুর্বার নিজেকে আবিস্কার করল রাস্তার ধারের বড় ড্রেনের ভেতরে। ওটার গভীরতা মাথা সমান উঁচু। শরীরের পুরো অনুভুতি তখনো ফিরে আসেনি। মনের ভেতরে কে যেন বলে উঠলো,
“তোমার বন্ধুটি কোথায়”।
এক ঝটকায় ড্রেনের উপরে দুহাত দিয়ে শরীরে যতটুকু শক্তি অবশিষ্ট ছিল তা দিয়ে উঠে এল সে। তাকিয়ে দেখে প্রায় একশ হাত দূরে দশপনেরজন লোক ট্রাকটাকে ঘিরে রেখেছে। সবাই মিলে ট্রাকের নিচে কি যেন দেখছে। মোটর সাইকেলের কোন হদীস নেই। রাস্তার অপর প্রান্তে তাকিয়ে দেখে বন্ধুটি মাটির উপরে বসে আছে। শার্টের সামনের দিকে রক্ত লেগে আছে। দৌড়ে রাস্তা পার হয়ে ওখানে গেল দুর্বার। জিসান কে জিজ্ঞেশ করল কিভাবে রাস্তার অন্যদিকে এসেছে। জিসান খুব ধীরে উত্তর দিল, সে জানেনা কি করে এই পঞ্চাশ ষাট ফুট রাস্তার অপর প্রান্তে গিয়ে পড়ল। পুরো বিষয়টা গোলমেলে, মাথায় কিছু ঢুকছিলনা। তবে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ দিল, দুজনে বেচে আছে বলে। জিসানের ডান হাতের কব্জির উপরের চামড়া উঠে গিয়ে রক্ত ঝরছে। ডানদিকের কনুইয়ের নিচে একিই অবস্থা। ও অবাক হয়ে তাকিয়ে কি যেন দেখছে। নিশ্চই শকের মধ্যে আছে। দুর্বার তাকে হাত ধরে টেনে তুলল।
দুজনে রাস্তা পেরিয়ে ট্রাকের ওখানে এসে শুনতে পেলো লোকজন বলাবলি করছে মোটরসাইকেলের সাথে মানুষ ট্রাকের নিচে ঢুকে গেছে। ড্রাইভারকে সবাই আটকে রেখেছে। দুর্বার পেছন দিক থেকে এসে ঝুকে দেখে বাইকটা ট্রাকের নিচে ঢুকে গেছে। লোকজনকে জানালো বাইকটা ওর। সবাই হা করে ওদের দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে, যেন ভুত দেখেছে। যেভাবে এক্সিডেন্ট হয়েছে, সবার ধারনা ছিল বাইকের সাথে ওরা ট্রাকের নিচে চাপা পড়েছে। কেউ ওদের দেখেনি কিভাবে দুজন দুদিকে ছিটকে পড়ল। তাই লোকজন ভাবছিল, বাইকের সাথে ওরাও ট্রাকের নিচে থেতলে গেছে। দুর্বার কিংবা জিসান কেউ জানেনা কিভাবে দুজন চাওড়া রাস্তার দুপাশে ছিটকে গেল। আশেপাশের লোকেরা ট্রাক থামিয়ে ফেললো অথচ কেউ তাদের দেখলনা। বিষয়টা জানি কেমন। লোকজনদের জানালো ট্রাক ড্রাইভার কি ভয়ংকর কাজ করেছে। সবাই মিলে বাইকটা নিচ থেকে টেনেটুনে বের করে দিল। সব লাইট ভেঙ্গে গেছে। সীটের কুশন বলতে গেলে পুরোটাই ড্যামেজ হয়ে গেছে।
“তোর অবস্থা ভালনা, দেখ কি হয়েছে”।
বন্ধু জিসান এতক্ষনে দুর্বারের দিকে তাকিয়ে পরিষ্কার ভাবে কথা বলে উঠল।
দুর্বার আবিষ্কার করল, শার্টের বামহাত ছিঁড়ে অন্তত ছয় ইঞ্চি কনুই থেকে কবজি পর্যন্ত কেটে রক্ত ঝরছে। বাম কানের উপরের দিকটা কেটে গিয়ে অনবরত রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। শার্টের সামনের দিকটায় রক্তে মেখে গেছে। বাইকের হ্যান্ডেল কেবল ডান হাতে ধরতে পারছে সে। বা হাতের ফিলিং কাজ করছেনা। তাছাড়া ব্লাডের কারনে পিচ্ছিল হয়ে আছে। একজন বাইকটা কয়েকবার ট্রাই করে স্টার্ট করে দিল। ঐ অবস্থায় আবারো দুজনে বাইক করে সরাসরি শ্যামলীর পঙ্গু হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে । এক্সরে, সেলাই এসব শেষ করতে সময় লেগে গেল।
প্লাস্টার ও ব্যান্ডেজ করা হাত আর সেলাই নিয়ে একহাতে বাইক চালিয়ে জিসানকে তার মোহম্মদপুরের বাসায় ড্রপ করে দিল। বাইকে আবারো উঠা নিয়ে জিসান একবারও না করলনা। ওকে অনেক কথা শুনতে হবে আজ এটা আন্দাজ করা যায়। বোটানিক্যাল গার্ডেন দেখার শখ মিটে গেছে। দুর্বারের আশাছিল ছবি তোলার কিন্তু প্রোগ্রাম সব মাটি হয়ে গেল। পজিটিভ প্ল্যান শেষমেশ নেগেটিভ এনার্জিতে রূপান্তরিত হল। বিষয়টা যমের দুয়ার থেকে ফিরে আসার মত। সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ ছাড়া বেঁচে থাকা অসম্ভব ছিল। ব্যস্ত রাস্তায় গড়িয়ে পড়ার সময় অন্য যেকোনো গাড়ী মাড়িয়ে দিয়ে যেতে পারত। জিসানের হাতে আর কনুইতে ব্যান্ডেজ। দুর্বার হাতের কবজিতে প্লাস্টার আর কানে ব্যান্ডেজ নিয়ে ক্যাজুয়েল লিভ আর সিকলিভের দশদিন কাটিয়ে দিল।
আজও ওদের মধ্যে এ বিষয়ে কথা হয়। দুজনে বিশ্বাস করে, ওদের বেঁচে থাকাটা একটা মিরাক্যাল, সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ।

( চরিত্রগুলো কাল্পনিক, হটাত মিলে যাওয়া কাকতালীয় ব্যাপার হতে পারে )

# লেখক রেহমান রুদ্র তাঁর কর্মক্ষেত্রের বিধি নিষেধের কারনে অনেক বিষয় লিখতে পারেন না । সে কারনে লেখক এবং হ্যালো জনতা দুঃখিত ।।

রেহমান রুদ্র ।।
# প্রবাসী বাঙালি বৈমানিক লেখক ।
#হ্যালো জনতা ডট কম এর নিয়মিত লেখক ।
# হ্যালো জনতা অনুমতি ছাড়া লেখকের এই লেখা সমুহ
অন্য কোথায় প্রকাশ করা যাবে না ।।
# হ্যালো জনতা ডট কম ##

### আজ প্রকাশিত ‘রেহমান রুদ্রের লেখা’এক্সিডেন্ট ও বন্ধুত্ব’ ।।

প্রচারিত হবে যথারীতি ফেসবুক, ব্লগ, টুইটার,ইন্সটাগ্রামে ।।
——————————
আমাদের ব্লগ পোস্ট পেজ —-
https://hellojanata350.blogspot.com/
Copy and paste to your browser .
## এখন থেকে আমাদের মূল্যবান লেখকদের লেখা গুলি আমাদের ব্লগে থাকবে ।
Follow.
@@ Twitter–
@ BinMostanjir
@@ instagram
@ 121kamalbd
——————————
@ উপরে প্রচ্ছদ লেখাটিতে ক্লিক দিয়ে সব লেখা পেতে পারেন। পেতে পারেন উপরের লিংকে
।। @
——————————

# আমাদের সপ্তাহের লেখা গুলি(দিন মেনে) —
## শুক্রবার ও মন্গলবার – বাঙলা বানানে ভাইরাস- বাল্টিমোর থেকে আবদুল হাকিম ।।
# শুক্রবার প্রবাস থেকে লিখেন বাঙ্গালি বৈমানিক রেহমান রুদ্র ।
# শনিবার –আবদুল হাকিমের – সব পেয়েছির দেশে (ধারাবাহিক)।।
# রবিবার — আকরাম উদ্দিন আহমেদ -কুড়িগ্রাম থেকে-প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় ।।
# সোমবার — আনিসুর রহমান বাফেলো আমেরিকা থেকে লিখছেন — ভ্রমন ।।
# নন্দিনী সাবরিনা খান কানাডা থেকে লিখছেন সোম/মঙ্গল বা বুধবারে ।
# বৃহস্পতিবারে কলাম লিখছেন আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া থেকে-‘জীবন থেকে নেয়া’-বনলতা বোস মোনা ।।
## এ ছাড়াও ‘খেলাধুলা ডেস্কে আছেন ক্রীড়া লেখক চট্টগ্রাম ব্যুরো থেকে সহিদুল ইসলাম । তিনি জানাবেন খেলার শেষ খবর ।।
# # একটি হ্যালো জনতা প্রেজেন্টেশন # #

13 COMMENTS

  1. The story reminds me of “Final Destination”. I’m hoping the two characters of the story are still somewhere out there with hopes without despair..

  2. অসাধারন লেখা। কিভাবে যেনো দু-মিনিটের মাথায় পড়া শেষ করলাম বলতে হবে খুব সুন্দর ছিল। খুব সুন্দর বর্ণনা. শুভ কামনা রইলো।❤

  3. জীবনে এ রকম অনেক ঘটনা ঘটে যায় যার উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় না,আমরা মিরাক্যাল বলে সমাধান টানলেও মনে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়,কোন শক্তির বলে এমন ঘটনা ঘটে,উত্তর একমাএ সেই শক্তিমান বিধাতাই জানেন।লেখকের গলপের সাথে আমার জীবনে একি ঘটনা ঘটেছিলো এক অদৃশ্য শক্তির বলে এখনো বেছে আছি।

  4. কিছু কিছু ক্ষেত্রে মানুশের জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো মেনে নিতে কষ্ট হয়। তবে এই গল্পের বর্ণনা গুলো সুন্দর ছিলো।

  5. Imaginative creativity leads to creative imaginations; creative imaginations are possessions of human race! Novelties are noble! All nobilities lead to better things! Welcoming it!

  6. মানুষের জীবনে অনেক বন্ধু আসে আবার চলেও যায,,,,,,,,,,,,,,,, কিন্তু যারা থেকে যায় তারা ভীষণ দামি।

  7. পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন, প্রকৃত বন্ধু কখনো ছেড়ে যাই না।❤️❤️❤️

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here