‘বৈমানিকের পাণ্ডুলিপি-২৬’ইটালির শহর মিলান-২, বাঙ্গালি বৈমানিক রেহমান রুদ্র ।।

13
720

##বাঙ্গালীর শোকের মাস এই আগস্ট ##
# কাঁদো বাঙ্গালি কাঁদো #
।। ‘শোকের দিন, শোকের মাস,।।
।। হ্যালো জনতা ডট কম ।।

ইটালির শহর মিলান। পর্ব ২ ।।
রেহমান রুদ্র।

মিলানে আর একটা দিন শুরু হল। নয়নাভিরাম সবুজগাছের ফাঁকে সূর্যের আলো চকচক করছে। সুন্দর এ সকালে হোটেলের সামনে কফিশপে ডারসির সাথে বসে নাস্তা সেরে নিচ্ছি। দুটা ক্রস্য আর কাপুচিনো নিলাম। ডারসি নিল চীজ অমলেট আর সুগারফ্রি কাপুচিনো। দূরে যাচ্ছে তাই পেট ভরে খেয়ে নেয়া ভাল। নাস্তা সেরে বলোনিয়া যাত্রা শুরু করবে বলল। শহরটি মিলান থেকে দক্ষিণপূর্বদীকে। তুলনামুলকভাবে মিলানের তুলনায় ছোট শহর। পড়াশুনার জন্য উত্তম স্থান। বলা যেতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শহর। গতরাতে ডারসির আগাম টিকেট কিনে রাখার কথা। আজ বলল কার রেন্ট করেছে। নিজে ড্রাইভ করবে। মেয়ের জন্য বেশকিছু জিনিস নিয়ে এসেছে। ওসব গাড়ীর পেছনে অলরেডি লোড করে দিয়েছে। জানালো আড়াই ঘণ্টার জার্নি। তাছাড়া মেয়েকে নিয়ে ওখানে ঘুরে বেড়াতে হলে নিজের গাড়ি থাকা সুবিধাজনক। প্রায় ছয়মাস পরে মেয়ের সাথে দেখা হবে। আজ ছুটির দিন। বাবার জন্য লাঞ্ছের আয়োজন করছে মেয়েটি।
“তুমি কাল রাতে ওখানে গেলে পারতে”। কথা প্রসঙ্গে বললাম।
ডারসি বলল,
“ন্যান্সি আমাদের ছোট মেয়ে। বিশে পা দিয়েছে। সাধারণত স্টুডেন্টরা যা করে থাকে ওভাবে এক সহপাঠী বান্ধবীর সাথে বলোনিয়ায় সিঙ্গেল বেডরুমের এপার্টমেন্টে থাকে। আমি থাকবো কোথায়। রাতে গাড়ী পারকিং ও সমস্যা”।
“ ওহ, আচ্ছা”। এটুকু বলে প্রসঙ্গের ইতি টানতে চাইলাম।

এ শহরে বহু চার্চ ও ক্যাথিড্রল। প্রাগৈতিহাসিক ডিজাইনের কারনে এগুলো বেশ দৃষ্টিনন্দন। কিছুক্ষন পরপর গির্জার ঘণ্টাধ্বনি ভেসে আসে। সেন্ট মাউরিস চার্চের ডিজাইন ও ডেকোরেশন দেখার মত। অগুনিত মানুষ ভিড় করে এসবের ছবি তুলতে। দুরদুরন্ত থেকে আসা প্রার্থনাকারীদের অভাব নেই। দেখার ভেতরে যে আনন্দ আছে তা কিভাবে বলি। এর উপলদ্ধি একান্ত নিজের।
গতকাল রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় একটি সাধারন আর্ট গ্যালারীতে সামনের দিকে রেখে দেয়া পেইন্টিং দেখে মুগ্ধ হয়ে ছিলাম। অবাক ব্যাপার হচ্ছে বহুবছর আগে স্কুল জীবনে অনেকটা একিই থিমে আনকোরা হাতে ছবি এঁকেছিলাম। এই পেইন্টিং দেখে মোবাইলের ক্যামেরায় তক্ষুনি ছবি তুলে রাখি। কি ভীষণ হৃদয় স্পর্শকরা রংতুলির কারুকাজ। যে কোন মানুশের মুখ ও তার অগুনিত অভিব্যক্তি নিয়ে ভাবলে অবাক হতে হয়। পেইন্টিং যে করেছে তাকে জিনিয়াস বলতে হবে। অপরুপ নারী মুখের প্রতিচ্ছবি। তাতে স্নিগ্ধ হাসির রেখা। অশ্রুসিক্ত চোখের দৃষ্টিতে না পাবার বেদনা। অভিব্যক্তির বুঝি এক অপূর্ব কম্বিনেশন।

ডারসিকে জিজ্ঞেশ করলাম পেইন্টিং পছন্দ করে কিনা। জানালো ওর মেয়ে সুন্দর ছবি আঁকতে পারে। সে তার মোবাইল থেকে বের করে দেখাল। সিলিকন দিয়ে আঁকা চার্চের স্কেচ। সুক্ষ কাজগুলো ভালমত ফোটাতে পেরেছে। শিল্পচর্চার বিষয়গুলো আত্মস্থ করতে বহুবছর অপেক্ষা করতে হয়। জাতিধর্ম নির্বিশেষে এধরনের কাজ দিয়ে মানুষের হৃদয় স্পর্শ করা সহজ কাজ নয়। এসময় গ্যালারীর ঐ পেইন্টিং তাকে দেখালাম। ছবিটি এক্সপ্লেইন করতে গিয়ে বললাম, নারীর ভালবাসা আবেগ অভিমান ও বেদনার অপূর্ব এক কম্বিনেশন ঘটানো হয়েছে। ছবিটিতে যে নারীমুখ আঁকা হয়েছে ওটার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলে নারী হৃদয়ের কোমলতা অনুভব করা যায়। কথায় বলে, কিছু বয়স্ক মানুশের মুখে অভিজ্ঞতার রেখা ফোটেনি আবার কিছু তরুন মুখে রয়েছে অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনার আগাম রেখা। এটাকেই বোধহয় ফেইস রিডিং বলে। অল্পবয়সে এ ধরনের চিন্তাচেতনা কিভাবে মনের মধ্যে এসেছিল তা বলতে পারবোনা।

হাইস্কুলে থাকতে ছবি আঁকার প্রতিযোগিতা হচ্ছিল। সবাইকে ছবিগুলো স্কুলে জমা দিতে হবে। বাসায় বসে অনেক যত্ন নিয়ে খুব সুন্দর এক নারীর মুখ আঁকার চেষ্টা করছিলাম। ছোটভাই দিপু বারবার এসে উঁকি দিচ্ছিল, কি করছি তা দেখার জন্য। তার আগ্রহের শেষ নেই। বারবার বলছিলাম, ডিস্টার্ব করোনা, আঁকা শেষ হলে তখন দেখাব। মাঝেমধ্যে আর্ট কলেজে গিয়ে স্টুডেন্টদের ছবি আঁকা দেখতাম। এ বিষয়ে কখনো একাডেমিক শিক্ষা গ্রহন করার সুযোগ হয়নি। অনেক কিছু শিখেছি ওদের কাছ থেকে। আকাআকি প্রায় গুটিয়ে এনেছি। নিষ্পাপ কোমল মুখে মনে হোল সুন্দরীর চোখে অশ্রুর ফোঁটা দিয়ে দিলে দেখতে ভালো লাগবে। খুব মনযোগ দিয়ে কাজটি করছিলাম। হটাত পেছন থেকে দিপু বলল, ভাই কান্না কেন দিছো, এমনিতেই তো ভালো লাগছিল। ভেবেছিলাম সে চলে গেছে কিন্তু না, পেছন থেকে দাড়িয়ে থেকে এসব দেখছিল। ওকে বললাম, তুমি এসব বুঝবেনা। এটা হচ্ছে খুশির কান্না। এতে করে মুখের আকর্ষণ আরও বেড়ে যায়। জানিনা ঐ ছোট্ট বয়সে এসব কথা বুঝতে পেরেছিল কিনা।

এ ঘটনাটি ডারসিকে বলি। লক্ষ্য করলাম বেশ কথা বলা মানুষটি কেমন যেন উদাস হয়ে গেল। একেবারে চুপ, কিছুই বলছেনা। বুঝতে পারছিলামনা গণ্ডগোলটা কোথায় হোল। কমুহুরত পরে সে তার জীবন কাহিনী বলতে শুরু করে। ব্যক্তিগত বিষয় শুনতে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়ে গেলাম। নিজের অজান্তে কি তার মনের স্পর্শকাতর স্থান ছুয়ে দিয়েছি।

ডারসি বলে চলেছে নিজের কথা, পরিবারের কথা। ন্যান্সি অর্থাৎ ছোট মেয়ের পড়াশুনার কথা। ইটালিতে মেয়ের তিন বছরের গ্র্যাজুয়েশন কোর্স শেষ হলে ওদের দেশে এ বিষয়ে ভাল ক্যারিয়ার আছে। এই প্রথম মেয়েটি বিদেশে এতদিন থাকল।

প্রশ্ন করি ন্যান্সি কোন বিষয়ে পড়াশুনা করছে। জানলাম ডিজাইন ও ফটোগ্রাফি নিয়ে কোর্স করছে। এটার নাকি এখন অনেক চাহিদা। হবেনা কেন, আবারো বলতে হচ্ছে, ইটালি এমন এক দেশ যেখান থেকে সারা পৃথিবীতে এরা ফ্যাশন ডিজাইন ও ক্রিয়েটিভিটি এক্সপোর্ট করে। এ ব্যাপারে এরা অতুলনীয়।

বয়োজ্যেষ্ঠ এ বৈমানিক অল্পক্ষনে তার জীবনে ঘটে যাওয়া সব অধ্যায় জানিয়ে দিল। আজ হতে বহুবছর আগে প্রথমবার বিয়ে করার পরের ঘটনা। সে ঘরে দু মেয়ে আর এক ছেলে। সময়ের সাথে সাথে আজ এরা সবাই এখন প্রতিষ্ঠিত। বড় মেয়েটি যখন নয় বছরের, তখন ঘটে বিপত্তি। বলা যায় তার সুখের ও সেটেলড জীবনে ঘটে যায় ছন্দপতন।

জন ডারসির চোখের দৃষ্টি কেমন যেন উদাস। নিজের সাথে নিজেই যেন কথা বলছে সে। কি সুন্দর একটা ফ্যামিলি ছিল। এমন ঘটনা তার জীবনে ঘটবে তা সে ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। একদিন তার স্ত্রী হটাত ঘোষণা দিল, সে কারো প্রেমে পড়েছে। ডারসির বয়স ছত্রিশ আর তার স্ত্রীর তখন একচল্লিশ চলছে। বয়সের পার্থক্য ছিল পাঁচ বছর। মহিলা প্রেমে পড়েছে সাতাশ বছর বয়সী এক যুবকের।

আবারো কমুহুরত নিরবতা। ডারসি কিছুটা দম নিয়ে জানালো তাদের কালচার অনেকটা এশিয়ানদের মত। পারিবারিক মূল্যবোধ রয়েছে বিধায় আত্মীয়স্বজনদের মতামতের প্রয়োজন আছে। এটা পিওরলি ফ্যামিলি ম্যাটার। মানসম্মান অনেক কিছুই এর সাথে জড়িত। পারিবারিক মিটিং ডাকতে হল। সে অনুযায়ী সবাই এসে হাজির। শলাপরামর্শ চলতে থাকে কিন্তু মহিলার এককথা। এ সংসার থেকে মন উঠে গেছে। তার নাকি দম বন্ধ হয়ে আসছে, মুক্তি চাই।

তার স্ত্রী কারো কথা শুনলনা। সব ছেড়ে চলে গেল।
ডারসির বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল এভাবে স্ত্রী শুধু তাকে নয়, তিন সন্তানদের ছেড়ে চলে যাবে। সে এক কঠিন সময়। বাচ্চাদের স্কুল। খাবারদাবারের আয়োজন। চাট্টিখানি কথা নয়। কিছুদিন চাকরীতে ছুটি নিয়ে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করল। এমন অবস্থায় বাচ্চাদের জন্য অবশেষে গভর্নেস রাখতে হল।
তখনো মনের ভালো অনুভুতিগুলো পুরোপুরিভাবে এসব গ্রহন করতে পারছিলনা। এমন হৃদয়বিদারক কাহিনী শুনে প্রসঙ্গ পাল্টানোর জন্য ডারসিকে তার বলোনিয়া যাবার সময় জানতে চাইলাম। বলল আরও ঘণ্টাখানেক সময় তার হাতে আছে। না, ভদ্রলোককে থামানো গেলনা।

পরের কাহিনী হল, ছেড়ে যাবার পাঁচমাস পরে একদিন হটাত করেই তার স্ত্রী বাসায় এসে হাজির। অনুতপ্ত। ক্ষমা চায় সে। মস্তবড় ভুল হয়ে গেছে। সেই তরুন প্রেমিক তাকে ছেড়ে চলে গেছে। এরপর শুধু কান্নাকাটি। নিজের সংসারে ফিরে আসতে চায়।
এতটুকু বলে আবারো চুপ থাকল ডারসি। জিজ্ঞেস করলাম এরপরে সবকিছু ঠিক হয়েছে কিনা।
জবাবে জানালো, স্ত্রীকে সে গ্রহন করেনি।
তার কথা অনুযায়ী “ শি উড ডু দ্য সেইম মিস্টেইক এগেইন ফর শিউর”।
কিছুদিন পরে ডারসি দ্বিতীয় বিয়ে করে। এ ঘরে জন্ম নেয় ন্যান্সি। আজ যেখানে যাচ্ছে সেই মেয়ে।
এর দুবছর পর ডারসির প্রথম স্ত্রী হার্ট অ্যাটাকে মারা যায়।
বর্তমান স্ত্রী বেশ ভালো জব করে। ওদের দেশের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন কর্মকর্তা।

ডারসি উঠে দাঁড়ালো। এ মুহূর্তে তাকে বেশ রিল্যাক্সড মনে হচ্ছিল। ক্ষমা চাইল এতকিছু বলে ফেলার জন্য। তাকে আশ্বস্ত করে বললাম, যাও, আর দেরি করনা, তোমার মেয়ে অপেক্ষা করছে। সেইফ জার্নি। আজ সারাটা দিন সে বোলোনিয়াতে থাকবে। মেয়ের সাথে সময় কাটাবে। রাতে ফিরবে মিলানে। ফ্লাইট অপারেশনের কোন ইমারজেন্সি হলে তাকে যেন যোগাযোগ করি। সে নিজের ও মেয়ের ফোন নাম্বার দিল। রাওনা দেবার আগে আবারো হাত ধরে জানালো, কথাগুলো বলতে পেরে হালকা বোধ করছে। আমি যেন কিছু মনে না করি। ন্যান্সি নাকি আজ রান্না করছে। জানালো, ফিরে আসার সময় আমার জন্য খাবার নিয়ে আসবে। রাতে যেন আবার ডিনার করে না ফেলি।

যাত্রাপথের শুভকামনা জানিয়ে ডারসিকে বিদায় দিলাম। সে চলে যাবার পর ভাবনার রাজ্যে ডুবে গেলাম। মনে হল মানুষ সত্তিই সামাজিক জীব। স্বল্প পরিচয়ে আপন ভেবে কেমন করে সে এতকিছু শেয়ার করল। একটা পেইন্টিং এর বর্ণনা দিতে গিয়ে কি করে তার হৃদয়কে এভাবে স্পর্শ করল, তা বলা মুস্কিল। এখন সে সুখী ও সার্থক একজন মানুষ। তারপরেও ঘটনাগুলো বলতে গিয়ে কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছিল। অতীতের এমন অনেক সৃতি মানুষ চিরদিনের জন্য বয়ে বেড়ায়। অনেকেই বলে থাকে সব কষ্ট ভুলে গিয়েছি। দুক্ষবেদনা সব দাফন করে দিয়েছি। কেন জানি এ কথাটি বিশ্বাস হয়না। বিচ্ছেদের আঁচড়গুলো চিন্তা ও বোধের সাথে আমৃত্যু পেঁচিয়ে থাকে।
# সুপ্রিয় পাঠক, নিরাপত্তার কারনে আমার লেখায় অনেক কিছুই লিখতে পারি না। বিধি নিষেধ!বিভ্রান্ত না হয়ে আর সেটুকু মেনে নিয়ে সাথে থাকবেন—এই আশা মনে রাখছি । লেখক ।। #
রেহমান রুদ্র ।
# রেহমান রুদ্র #
# রেহমান রুদ্রের লেখাগুলি হ্যালো জনতার কাছে সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত । হ্যালো জনতার সাহিত্য তে লেখকের সব লেখা পাওয়া যাবে ।পড়ুন ।
আগস্ট ২৭ ২১ ।।
# বৈমানিকের পাণ্ডুলিপিতে ব্যবহৃত ছবি সমুহ লেখকের সংগ্রহ এবং নিজের তোলা # হ্যালো জনতা ডট কম।

## আমরা দেখছি দূরবীন চোখে – আর দেখাচ্ছি আপনাদের — পড়ুন মন ভরে ##
## আগামী শুক্রবার স্পেশাল লেখা — মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীর কাছে — দূরবীন চোখ ।


# আমাদের সপ্তাহের লেখা গুলি —
# শনিবার –আবদুল হাকিমের – সব পেয়েছির দেশে (ধারাবাহিক- )।
# রবিবার — আকরাম উদ্দিন আহমেদ – প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় ।
# সোমবার — আনিসুর রহমান লিখবেন – এক বিমান কেবিন ক্রূর আত্মচারিত ।
# নন্দিনী সাবরিনা খান লিখেন মঙ্গল/বুধ বারে ।
# শুক্রবার লিখেন বৈমানিক রেহমান রুদ্র- ।

# goggle play store থেকে hellojanata.com লিখে হ্যালো জনতার app টি আপনার মোবাইলে install করে নিন। এক ক্লিকে পাবেন সব লেখা । Iso তে হবে না আপাতত।

#টিকার বিকল্প নেই।টিকা নিন।মাস্ক পড়ুন। আসুন সমবেত হই।কমপক্ষে ২ জনকে টিকার নিবন্ধন করে দেই,সমাজ বাঁচাই,দেশ বাঁচাই,মানুষ বাঁচলেই সব বাঁচবে#
করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া অধিকাংশ মানুষই টিকা গ্রহণ করেননি-জো বাইডেন।

একটি হ্যালো জনতা প্রেজেন্টেশন

13 COMMENTS

  1. অসাধারন পুরোটা পরলাম। শেষের কথা গুলো বেশি ভালো লেগেছে। অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো প্রিয় লেখকের প্রতি❤

  2. খুব ই সুন্দর লেখা হয়েছে পুরো গল্পে। শেষের দিকের ডারসির ফ্যামিলির কথা গুলো বেদনাদায়ক।

  3. আপনার মিলানের দুটো পর্ব একসাথে পড়লাম। বেশ ভালো লেগেছে। মিলনের প্রদান আকর্ষণ ডুমু সম্পর্কে কিছু লিখবেন আশা করেছিলাম। যাই হোক ডার্সির কাহিনী শুনে ইমোশনাল হয়ে গেলাম। নিশ্চয়ই একই রকম অভিজ্ঞতা অনেকের হয়। কল্পনা করতে চেষ্টা করলাম নিজেকে। নিশ্চয়ই অনেক কষ্টের। ক্যাপ্টেন সাহেব বেগ (বিমানের) আর আবেগ (মানুষের) নিয়ে সমান দক্ষতায় লিখে যাচ্ছেন এটা ভালো লেগেছে। ভালো থাকবেন।

  4. এত চমতকার মন্তব্যের পরে নতুন কোন মন্তব্য মানায় না। নাদের ভাইয়ের বিনা অনুমতিতেই ‘কোট’ করে ফেললাম “ক্যাপ্টেন সাহেব বেগ (বিমানের) আর আবেগ (মানুষের) নিয়ে সমান দক্ষতায় লিখে যাচ্ছেন “……….। এখন নাদের ভাই আমাকে হাই’কোট’ (কোর্ট) এ নিয়ে দাঁড় না করলেই হয়……

  5. A pilot operates a giant Boeing; a Boeing is a collection of many machines! Machies are run by a humans! All humans are driven by their respective minds! All minds are again run by the mind-maps! Mind-map has many regions!
    Regions of the mind map are concentric to the the central self-map! In this – individuals store their secrets, one such is love-map! Every human makes an image of his love that is unique! A painting with natural tune can activate that secret of mind! Might be – Captain Rudra’s colleague was knocked at the secret of his heart by the paint they both watched! Imprint of the early love engraved into the deep was retrieved by the epigenetic factor of memory! That’s why – একটা পেইন্টিং এর বর্ণনা দিতে গিয়ে কি করে তার হৃদয়কে এভাবে স্পর্শ করল, তা বলা মুস্কিল।
    The writer coined the hidden truth of human nature by his words nicely – অতীতের এমন অনেক সৃতি মানুষ চিরদিনের জন্য বয়ে বেড়ায়। অনেকেই বলে থাকে সব কষ্ট ভুলে গিয়েছি। দুক্ষবেদনা সব দাফন করে দিয়েছি। কেন জানি এ কথাটি বিশ্বাস হয়না। বিচ্ছেদের আঁচড়গুলো চিন্তা ও বোধের সাথে আমৃত্যু পেঁচিয়ে থাকে।
    Indeed – there are some lifelong possessions! Memory of the first love is one that incises into the wall of the mindmap! It does more when the memory is associated with a betrayal against innocence! Human minds search for answers to such disloyal acts with the eyes of his fidelity and devotion. Because – these two values reside in two different worlds – the source of the pathos remains undiscovered! One has to carry it as the quest of knowing until he breaths last!

    Captain Rudra had depicted this in-depth reality in very simple way!

  6. জীবনের রসায়ন আর মানব মনের রসায়ন যখন দূরদৃষ্টিতে এক সত্যকে তুলে ধরে, তখন সেই সত্য হয়ে উঠে চিরন্তন এক আপ্তবাক্য। জীবন রশিক লেখক রেহমান রুদ্রের লেখাগুলো তাই আমাদের গভীর জীবনবোধের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। ভ্রমণকাহিনীর মাধ্যমে তিনি তৈরি করেছেন জীবনরসগ্রাহী এক ভাবসত্যকে। ধন্যবাদ লেখককে এবং প্রকাশ করার জন্য হ্যালো জনতাকে।

  7. শেষের লাইন গুলো বেশ মনটাকে নাড়া দিয়েছে।পড়ায় পড়ায় যখন শেষ হয়ে আসে তখন ভাবী,ওহ আমি পড়ছি,এত্ত আপন করে লেখা আপনি— আমাদের দিচ্ছেন,মিশে যাই।
    সুন্দর সময় গেলো এক কাপ চা য়ের সাথে।
    শুভ কামনা সবসময় আপনার জন্যে ।

  8. মিলানের স্মৃতি … ভালো লাগলো । শুভকামনা লেখক এবং হ্যালো জনতা 💕

  9. পাঠকের মনের ভাষা কিছুটা বুঝতে পারছি।
    সবাইকে ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here