বৈমানিকের পাণ্ডুলিপি-২৬-ইটালির শহর মিলান -লিখেছেন বাঙ্গালি বৈমানিক রেহমান রুদ্র।

9
647

##বাঙ্গালীর শোকের মাস এই আগস্ট ##
# কাঁদো বাঙ্গালি কাঁদো #
।। ‘শোকের দিন, শোকের মাস,।।
।। হ্যালো জনতা ডট কম ।।

ইটালির শহর মিলান।

পর্ব ১
রেহমান রুদ্র।

চিট্টা ডি মিলানো। এর অর্থ হচ্ছে মিলান শহর। ভাষাটি ইতালীয়। ভূমধ্যসাগরের কোল ঘেঁষা দেশ ইটালির এক সুন্দর শহর। যে কোন কিছু আধুনিক ডিজাইনের জন্য খ্যাত এই দেশ। ইটালিয়ান স্যুট বেশ নামকরা এক প্রডাক্ট। এগুলো বানাতে যেসব ফেব্রিক ব্যবহৃত হয় তা অত্যন্ত এক্সপেন্সিভ। এই যেমন লরপিয়ানা ব্র্যান্ড ফেব্রিকের একটি সাধারন লংস্লিভ লেডীজ কোটের প্রাইস বাংলাদেশী টাকায় কমপক্ষে ছয়লক্ষ টাকা। পৃথিবীর নামিদামি সেলিব্রিটিরা এসবের জন্য পাগল। তাছাড়া ইটালিয়ান স্টেলিওন জাতের ঘোড়া যাকে ভারেন্নে বলা হয় সেটা আজ রেসিং এর জন্য জগত বিখ্যাত। এই জাতের প্রথম ঘোড়াটি ১৯৯৫ সালে ভেনিসের দক্ষিন পশ্চিমে ফেররারা প্রভিন্সে জন্ম নেয়।

আজ আকাশটা বেজার ঠেকছে, রাতে বৃষ্টি হবে বলে মনে হচ্ছে। আটত্রিশ হাজার ফুট উঁচু থেকে নামতে শুরু করেছি। মেঘের ফাঁকফোকর গলিয়ে প্রায় দশহাজার ফুটে নেমে এসেছি। পাহাড়ের পাশ কাটাতেই এপ্রচ কন্ট্রোল বিমান অবতরনের প্ল্যান অনুসারে দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময়ে নিচের বাড়িঘর স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। যতই নিচে নামছি তা ক্রমশ পরিষ্কার হচ্ছে। বহু বাড়ির ছাদের উপরে বিকেল বেলা টেবিল চেয়ার পেতে টেলিভিশন কানেক্ট করে সবাই মজা করছে। মনে হয় ফুটবল খেলা দেখছে। রাস্তায় লোকজন কম। খুব বেশি দরকার না হলে বাসার বাইরে যাচ্ছেনা। ছাদের মধ্যেই সময় কাটিয়ে দিচ্ছে।

সুন্দর শহরটায় বেশিরভাগ বাড়ির ছাদ লালচে রঙ্গের। এই বিকালে মিলানের আকাশে ঢোকার আগে একিই উচ্চতায় ও কাছাকাছি পূর্বমুখী অন্য এয়ারক্রাফট থাকায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের নির্দেশে নির্ধারিত সময়ের আগেই অবতরন শুরু করতে হোল। এ নিয়ে কেউ খুশি ছিলাম না। ফ্লাইট কম্পিউটার তার সেটআপ প্রগ্রামিং দিয়ে হিসাব করে বের করে কখন অবতরন শুরু করতে হবে। এটাকে এভিএশনের ভাষায় টপ অফ ডিসেন্ট বলে। এর আগে নেমে যাবার অর্থ হল বেশি ফুয়েলের অপচয়। সারা পৃথিবীতে তেলের মূল্যবৃদ্ধি সংক্রান্ত তথ্য সবার জানা আছে। আরও রয়েছে আকাশে কার্বন নিঃসরণের বিষয়। প্রতিটি বৈমানিককে প্রশিক্ষন দেয়া হয় সম্ভাব্য কম তেল ব্যবহার করে কিভাবে গন্তব্যে পৌঁছানো যায়।

মেঘের ফাঁকেফাঁকে এ সুযোগে মিলান শহর দেখে নিলাম। মনে হল অসংখ্য গাছের ভেতরে ঘরবাড়ি দোকানপাট সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা হয়েছে। সবুজের মাঝে লালচে রঙের ছাদ দৃষ্টি নন্দন।

মালপেন্সা। মিলানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। সাধারণত হোটেলে পৌছাতে পৌনে এক ঘণ্টা সময় লাগে কিন্তু আজ আধঘণ্টায় এসে গেলাম। কাদের যেন ফুটবল ম্যাচ চলছে। রাস্তা ফাঁকা। সাথের বৈমানিক দক্ষিন আমেরিকার পশ্চিম উপকূলবর্তী একটি দেশের। প্রাইভেসির কারনে পুরো পরিচয় উল্লেখ করলাম না। নানান কথার মাঝে ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে অনেক কিছুই বললো। সবার সুবিধার জন্য তাকে জন ডারসি বলে সম্বোধন করলাম। বিচিত্র পৃথিবীর বিচিত্র মানব জীবন। জীবনদর্শনের ভিন্নতায় এ প্রসঙ্গ পরে টানছি।

থাকার হোটেলটি একেবারে ব্যাংক পাড়ায়। একদিকে ইউনিক্রেডিট যেলায়ন বানকা অন্যদিকে বানকা ডি সিসিলিও। সম্প্রতি প্রকাশিত ইটালিয়ান এক জার্নালে দেখলাম আনুমানিক আটশত ব্যাংক রয়েছে এ দেশে। প্রাইভেট ব্যাংক, ষ্টক মার্কেটের উপর নির্ভরশীল ব্যাংক, মিউচুয়ালি এসট্রাকচারড ব্যাঙ্ক, রুরাল সেভিং ব্যাংক আরও কত কিযে রয়েছে কে জানে। এতধরনের ব্যাংকের কত শাখাপ্রশাখা রয়েছে তা বলা মুশকিল।

হোটেল থেকে বেরিয়ে বানকা ডি মিলানো চোখে পড়ল। প্রধান রেল স্টেশন আর মেট্রো সাবওয়ে স্টপ কাছাকাছি দুরত্তের মধ্যে। যোগাযোগের সুবিধায় কম সময়ে এখান থেকে সাইট সিইং, শপিং কিংবা ফিয়েরা ডি মিলানোতে যাওয়া যায়। ওটা বিজনেস ফেয়ার ডিসট্রিক্ট। এখান থেকে আর এক শহর লীনাতে যেতে পনের কিলোমিটার পাড়ি দিতে হবে। বেসিক্যালি পনের মিনিটের রাস্তা। কালচারাল সেন্টার আর মিলান শপিং সেন্টার হেটেই যাওয়া যায়। শহর ঘুরে দেখার জন্য পাবলিক বাস কিংবা পুরনো আমলের ডিজাইনে গড়া ট্রাম সার্ভিস রয়েছে। খুব ধিরে চলে এই ট্রামগুলো। একটিতে আরামসে উথে পড়লাম।

শহর থেকে উত্তর পশ্চিমে সড়কপথে আনুমানিক একঘণ্টার জার্নিতে সুইস মিনিয়েচার দেখে আসা যায়। ওখানে সুইজারল্যান্ডের সকল দর্শনীয় স্থান যেমন মনুম্যানট, গ্রাম শহর ও যোগাযোগের মাধ্যমগুলোকে এক এর পঁচিশ অনুপাতে ক্ষুদ্র করে বানানো হয়েছে। সুইস মডেল অনুযায়ী রেলস্টেশন, ট্রেন নিয়ে পাঁচশত ষাট মিটারের রেলপথ দেখতে পারা যায়। পুরো ট্রেন সিস্টেম সেন্ট্রালি কন্ট্রোলড। বেড়াতে আসা শিশুরা এসব দেখে খুশির চোটে অক্লান্ত লাফঝাপ করছে। সময়ের স্বল্পতায় ঝটিকা ভ্রমনে বেরিয়েছি। সবকিছু অল্পস্বল্প দেখে মনকে সান্ত্বনা দিতে হচ্ছে। রাত গভির হবার আগে নিজ আস্তানায় ফিরে এলাম।

পরদিন সকাল বেলাতেই বেরিয়ে পড়লাম। বাজার ঘাট ঘুরে দেখার ইচ্ছা। মিলানের শপিং এরিয়াতে বিখ্যাত সব ব্র্যান্ডের পোশাক চোখে পড়ল। এর মধ্যে রয়েছে গুচি প্রাডা কানালি ফেনডি কাভাল্লা ভারসাচি সহ অসংখ্য ফ্যাশনেবল ড্রেসের সমারোহ। কিছু স্টোরে লিখা সপ্তাহের সাতদিনই খোলা। ইউরোপিয়ান মার্কেট প্রাইস হিসাবে ড্রেসের দাম একটু বেশি মনে হল। মেয়েদের টপস সামারের শেষ লগ্নে সেইলে বিক্রি হচ্ছে।

ভিটটু রিভিও আর লুইগি সেটটেমবিরিনি রোডের মোড়ে এসে থামলাম। চোখ আটকে গেল ছোট্ট এক গ্রসারি শপে। দোকানের সামনে লিখা বাংলাদেশি হালাল মাংশের দোকান। সাধারন গ্রসারির সাথে ভদ্রলোক ডোনার কাবাব বিক্রি করছেন। ভিতরে প্রবেশ করে ওনার সাথে কথা বললাম। বহুদিন ধরে এখানে থাকেন। ডোনার কাবাব নিলাম। খেতে ভালই লাগলো। তখন বিজনেসের টাইম। কথা না বাড়িয়ে বেরিয়ে পড়লাম।

দীর্ঘদিন ধরে একটা হবি লালন করে আসছি। যেকোনো নতুন শহরে এলে লাইব্রেরী খুজে বের করি। বইয়ের রাজ্যে সময় কাটানোর সৌখিনতা কখনও ছাড়তে পারবোনা। যা চেয়েছি তা পেয়ে গেলাম। বুএন্স এয়রস রোড। পাশাপাশি বড়সড় দুটা লাইব্রেরী। যেটাতে ঢুকলাম তার তিন ফ্লোর জুড়ে বইয়ের রাজ্য। ঘুরেঘুরে দেখছিলাম। যেটাই পছন্দ হচ্ছে তার ব্যাক কাভারে সংক্ষেপে পড়ে নিচ্ছিলাম। বেশ কিছু বইয়ের সিডি সাজিয়ে রেখেছে। ড্যান ব্রাউনের দ্য ভিঞ্চি কোড বইটি পঁচিশ ইউরোতে বিক্রি হচ্ছে। বিশ্বখ্যাত পিকাসোর পেইন্টিং নিয়ে ছোট্ট বুকলেট বের হয়েছে। মাত্র ছয় ইউরো। লাইব্রেরীর বেইজম্যানটে থরেথরে সাজানো অসংখ্য নভেল। ওখানে সুন্দর এক রোম্যান্টিক ক্যাফে। পিঙ্ক কালারের বেলুন আর রিবন দিয়ে সাজানো। নামটা ভাল লাগলো, ক্যাফে হরাইযন। জনা ত্রিশেক নারীপুরুষ সমবেত হয়েছে। জানতে পেলাম ইটালিয়ান এক লেখকের পরিচিতি অনুষ্ঠান হচ্ছে। সবাই স্থানীয় ভাষায় কথা বলছে। একটু পরপর হাসির রোল। মনে হচ্ছে রসিক লেখক। উনার কথায় সবাই বেশ আনন্দ পাচ্ছে। এগিয়ে গেলাম ফেমাস ইটালিয়ান কফির জন্য। হোটেল থেকে বের হবার আগে রিসেপ্সনের মেয়েটির কাছ থেকে শিখে এসেছিলাম স্থানীয় ভাষায় কি করে গরম কফি চাইতে হয়।

“পসছো আভভেরে উনো কাফফে কালদো”

মনে হল সার্ভার মেয়েটা বুঝতে পেরেছে। কফি বানাতে এগিয়ে এল।

ইটালি এমন এক দেশ যার ঐতিহাসিক ভিত্তি, সংস্কৃতি ও জনপদের ভিন্নতা রয়েছে প্রতিটি রিজিওনে। তাই ভাষাটা এখানে প্রধান বিষয়। ইটালিয়ান কফির একটা আলাদা স্বাদ। ফিল্টার করা এস্প্রেসো কফি নিমিষেই মনকে চাঙ্গা করে তুলে। হরেক রকম কফির মধ্যে এস্প্রেসো বেশ জনপ্রিয়। আনুমানিক দুই আউন্সের মত তরল কফি ছোট্ট এক কাপে পরিবেশন করবে। দু এক চুমুকে শেষ করে সবাই যারযার কাজে ছুটে যায়। মজার ব্যাপার হল এখানে সব কফি কুসুম গরম তাপমাত্রায় সারভ করে। এতে নাকি সবচেয়ে ভাল স্বাদ পাওয়া যায়। আমরা আবার গরম কফিতে অভ্যস্ত। কাল থেকে ঈষৎ গরম কফি খেয়ে মন ভরছিলনা। ভাবছিলাম এত ভালো ক্যাফেতে গরম কফি পাওয়া যায়না কেন। অবশেষে রিসেপ্সনের মেয়েটি ধারনাটা পরিষ্কার করে দিল। কারো প্রয়োজন হলে আগে থেকেই বলে দিতে হবে। ছিটেফোঁটা রপ্ত করা স্থানীয় ভাষায় সার্ভার মেয়েটিকে তাই আরেকবার স্মরণ করিয়ে দিলাম,

“ উনো এস্প্রেসো কাফফে কালদো”।

শেষমেশ পছন্দমত গরম কফির পেয়ালাতে চুমুক দিয়ে শান্তি পেলাম। অপরিচিত ভাষায় ভিনদেশে মনের ইচ্ছা বুঝাতে পেরে সত্যি ভাল লাগছিল।

লাইব্রেরী থেকে বেরিয়ে এলাম। রাস্তাঘাট দোকানপাট জীবন্ত হয়ে উঠেছে। সবাই কেনাকাটায় ব্যস্ত। ট্রলিতে করে ইমিটেশন জুয়েলারি বিক্রি হচ্ছে। সাথে রয়েছে নানা ডিজাইনের ঘড়ি, লেডিজ ব্যাগ, স্কারফ,জুতা। বেশ আধুনিক ও ফ্যাশন্যাবল। ঘুরেফিরে এসব দেখতে ভালই লাগে। সময় কেটে যায়।

গতকাল ইটালিয়ান খাবার খেয়েছি। আজ মনস্থির করেছি চাইনিজ ফুড খাব। এসব রেস্টুরেন্ট খুজে পাওয়া তেমন কোন ব্যাপার না। পৃথিবীর এমন কোন সিটি দেখিনি যেখানে চাইনিজ রেস্টুরেন্ট নেই। কয়েকটা ব্লক পরেই পেয়ে গেলাম। তরুন এক চিনা দম্পতি ত্রিশ পয়ত্রিশ সীটের রেস্টুরেন্টটি চালাচ্ছে। বসে খাবার ইচ্ছা নেই তাই টেকওয়ে ফুডের অর্ডার দিলাম। মাত্র আট ইউরোতে চিকেন ভেজি ইন সয়াসস, ষ্টীম রাইস আর একটা কোক দিল। অন্যান্য কিছু না হয় বাদ দিলাম, সত্যি করে বলি ফুড প্রাইসিং নিয়ে এদেরকে টেক্কা দেয়া সহজ নয়। ইটালিয়ান যে কোন ডিশ অর্ডার করলে কমপক্ষে বিশ পচিশ ইউরো খরচ হবে। ফুডের পরিমান হিসাব করলে দেখা যাবে আট ইউরোতে যা পেয়েছি তার চাইতে কম। আলাদা করে এক্সট্রা হটসস দিতে বললাম।

হোটেলে ফিরে এলাম। জন ডারসিকে কল করা দরকার। কাল ওর বলোনিয়া যাবার কথা ছিল।
[ ক্রমশঃ পর্ব- ২ ]
# সুপ্রিয় পাঠক, নিরাপত্তার কারনে আমার লেখায় অনেক কিছুই লিখতে পারি না। বিধি নিষেধ!বিভ্রান্ত না হয়ে আর সেটুকু মেনে নিয়ে সাথে থাকবেন—এই আশা মনে রাখছি । লেখক ।। #
রেহমান রুদ্র । আগস্ট ২০২১।
# রেহমান রুদ্র #
# রেহমান রুদ্রের লেখাগুলি হ্যালো জনতার কাছে সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত । হ্যালো জনতার সাহিত্য তে লেখকের সব লেখা পাওয়া যাবে ।পড়ুন ।
আগস্ট ২১


# আমাদের সপ্তাহের লেখা গুলি —
# শনিবার –আবদুল হাকিমের – সব পেয়েছির দেশে (ধারাবাহিক- )।
# রবিবার — আকরাম উদ্দিন আহমেদ – প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় ।
# সোমবার — আনিসুর রহমান লিখবেন – এক বিমান কেবিন ক্রূর আত্মচারিত ।
# নন্দিনী সাবরিনা খান লিখেন মঙ্গল/বুধ বারে ।
# শুক্রবার লিখেন বৈমানিক রেহমান রুদ্র- প্রকাশিত ।
# goggle play store থেকে hellojanata.com লিখে হ্যালো জনতার app টি আপনার মোবাইলে install করে নিন। এক ক্লিকে পাবেন সব লেখা । Iso তে হবে না আপাতত।

#টিকার বিকল্প নেই।টিকা নিন।মাস্ক পড়ুন। আসুন সমবেত হই।কমপক্ষে ২ জনকে টিকার নিবন্ধন করে দেই,সমাজ বাঁচাই,দেশ বাঁচাই,মানুষ বাঁচলেই সব বাঁচবে#
করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া অধিকাংশ মানুষই টিকা গ্রহণ করেননি-জো বাইডেন।

একটি হ্যালো জনতা প্রেজেন্টেশন

9 COMMENTS

  1. সবকিছু মিলিয়ে খুব একটা কৌতুহল মূহুর্ত পার হয়েছে দেখলাম। তবে আমাকে অবাক করার বিষয় হচ্ছে লাইব্রেরীর বই গুলোর গড়ন এবং পিকাসোর পেইন্টিং এর ছোট্ট বুকলেট টি মাত্র ৬ ইউরো দাম!

  2. অধিকাংশ ভ্রমণ কাহিনীতে দেশের ও মানুষের কথার চাইতে লেখকের নিজের গল্পই বেশি থাকে, অথচ একটা ভ্রমণ কাহিনী হওয়া উচিত ঠিক তার উল্টোটা। গল্পটা হওয়া উচিত সেখানকার মানুষদের, সেখানকার প্রকৃতির, আর সেখানকার সমাজ এবং সংস্কৃতির। কোন ভ্রমণকারী যদি ভ্রমণ স্থলকে উপভোগ করতে না পারেন, তার কাদা, তার বালু, তার পাহাড়, তার ফুল, তার কাটায় যদি সৌন্দর্য উপভোগ করতে না পারে তবে সেটি তার অন্তরের দীনতা। সেই দীনতা লেখক রেহমান রুদ্রের কোনদিনই ছিল না। তিনি যখন যেখানে গিয়েছেন, সেই জায়গাটাকে ঠিক সেখানকার মতো করেই অনুভব করার চেষ্টা করে তার লেখার মাধ্যমে আমাদের বর্ণনা করেছেন।লেখোকের বর্ণনার পটুতার জন্য তার লেখাগুলো পড়ার সময় আমাদের সেই জায়গায় নিয়ে যায়…….সবকিছু কত বাস্তব মনে হয়।

  3. বেশ ভাল লাগছে ইতালির গল্প পড়তে ।আরো ভাল লাগল প্রিয় হবি লাইব্রেরি খুজে বের করা ।তবে লাইব্রেরিতে গেলে নানান কিছু পাওয়া যায় one stop shoping এর মতন।ভীষণ সুন্দর নিশ্চুপ, but অনেক people stay করে।
    আমার city arlington এ visit করার আমন্ত্রণ থাকলো এবং বিশাল বড়ো লাইব্রেরি দেখা হবে।

  4. A pilot’s describing a spot of visit is not same of a traveller; a traveller has more time to spend and more destinations to go into! While our Captain has time, space and security restrictions! From within those limitations- Captain Rahman in his making the bird’s eye view has always been a success! We see him going in to details only where it is necessary. His blending of information from technology to the layman’s details have been so adroit that readers have opportunity to discover his special fort of imaginations and expressions!

    What we see is the Gist of Milan in this quick write up and that’s why his presentations are interesting! It’s fluid like a stream, solid like a mountain, soft like the silks of hairs, transparent like the morning air and wide like the specious sky!

    One can translate Captain’s themes in his own way and in any way one takes it to – he will end up at a shore in front of which is the sea of beauty that has been touching the endless horizon of thoughts!

    He gives us imaginations!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here