এক্সক্লুসিভ *বৈমানিকের পান্ডুলিপি*১১*তারার মেলায় জেট বিমান * রেহমান রুদ্র।

16
309

# তারার মেলায় জেট বিমান #

দক্ষিন আফ্রিকার শহর কেপটাউন থেকে যাত্রা শুরু করেছিলাম মধ্যপ্রাচের উদ্দেশ্যে। প্রায় সোয়া নয় ঘণ্টার জার্নি। স্থানীয় সময় সকাল এগারটায় টেকঅফ করেছিলাম। এরমধ্যে পাঁচ ঘণ্টা পার হয়ে গেছে। সূর্যের আলো ডুবি ডুবি করছে। আফ্রিকান এই কণ্টীনেন্টে বিশেষ একটা রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি সবসময় মনিটর করতে হয়। আকাশে কিংবা ভুমিতে একজন পাইলটকে সব মুহূর্তে একটিভ কমিউনিকেশন আর একটি ইমারজেন্সি চ্যানেল মনিটর করতে হয়। ইদানিং এমন হয়েছে কিছু দেশের উপর দিয়ে ফ্লাই করার সময় বুঝতে পারি অযাচিত কোন মানুষ বা গোষ্ঠী এই ফ্রিকুয়েঞ্চি ইন্টারসেপট করার চেষ্টা করছে। অভিজ্ঞতার আলোকে শব্দের পার্থক্যগত মানের দ্বারা এটা বুঝা যায়। আরও কিছু বিষয় যোগ হয়েছে। কারা যেন জিপিএস সিগন্যাল জেমিং এর চেষ্টা করে। দুনিয়া জুড়ে অদ্ভুত সব ব্যাপার ঘটে চলেছে। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন হাইটেক জ্ঞান ছাড়া এসব করা সম্ভব নয়।

আকাশে তারার মেলা বসেছে। নিচে পাহাড়ের মাঝে আলো দেখা যায়। ককপিটে হাজারো সুইচের আলোর সাথে ওগুলো মিশে যায়। একটি সুপরিসর বিমানে রয়েছে নানারকম যন্ত্রের সমাহার। এই যেমন টোটাল ইলেক্ট্রিক্যাল পাওয়ার প্ল্যান্ট হাইড্রলিক সিস্টেম প্রেশারাইযেশন সিস্টেম। রয়েছে বহুরকমের এন্টেনা বাতাস ও অক্সিজেন এর সঠিক পরিচালন বর্জ্য সমুহের ম্যানেজমেন্ট তার সাথে বিনোদনের ব্যবস্থা। এছাড়াও ক্যাবিনের সঠিক তাপমাত্রার সাথে নানান থিমের লাইটিং সিস্টেম। জরুরী অবস্থার জন্য স্বয়ংক্রিয় অডিও এনাউন্সমেনট প্রি প্রোগ্রাম করা থাকে। তারপর রয়েছে ভেনটিলেশন সিস্টেম কমুনিকেশন ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট কলিং সিস্টেম ওয়েদার রাডার ও অসংখ্য খুঁটিনাটি জিনিশের সাথে বহু কম্পিউটারের সমাবেশ। পাইলটকে এর সকল বিষয় সম্পর্কে জানতে হয়। সর্বক্ষণ টেকনলজি বদলাচ্ছে বিধায় পড়াশুনার শেষ নেই।

জেট বিমানের জিপিএস নিয়ে একটু ধারনা দিতে পারি। মহাশূন্যে রয়েছে অসংখ্য স্যাটেলাইট। এরমধ্যে ২৪ টি স্যাটেলাইট কন্সটিলেশন এমনভাবে বিন্যাস করা আছে যার কমপক্ষে ৫ টি সবসময় সার্ভিস প্রভাইডারের দৃষ্টিগোচরে থাকতে হবে। এরমধ্যে ৪ টি লাগবে রিসিভিং এর জন্য যা কিনা বস্তুর সঠিক থ্রিডাইমেনশন অবস্থান নিরধারন করবে। জিপিএস সিগন্যালকে কেন্দ্র করে বিমানের কম্পিউটার প্রগ্রামিং দ্বারা বিমানকে নিখুঁত ভাবে পরিচালন করা সম্ভব। এখানে বলা দরকার জিপিএস এর স্ট্যাটাস কটটুকু গ্রহণযোগ্য তা একজন বৈমানিককে নানাবিধ ইনফরমেশনের মাধ্যমে বুঝতে হয়। এ বিষয়ে সঠিক ধারনা না থাকলে বিমান অবতরনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। জিপিএস এর মান নির্ধারণের জন্য ইউএস কোস্টগার্ড ন্যাভিগেশন সার্ভিস প্রভাইডার অথবা ডেডিকেটেড এজেন্সি পাইলটকে এসব তথ্য প্রদান করে থাকে। ডব্লিউ জিএস-৮৪ যা কিনা জিপিএস এর সংক্ষিপ্ত কোড বা ডেফিন্যাশন ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্স থেকে পাওয়া যায়। কারিগরি বিষয় অনুধাবনে আমাকে কিছু ইংরেজি শব্দ লিখতে হচ্ছে।

Basic navigation indicators.

সোমালিয়ার রাজধানি মগাদিশুর আকাশে ঢুকে গেছি। এদের কন্ট্রোলে বেশ কিছুক্ষন থাকতে হয়। পূর্ব আফ্রিকান কোস্টে মগাদিশু ইকুয়েটরের একটু উত্তরে ভারত মহাসাগরের কোল ঘেঁষে দাড়িয়ে আছে। বহু আগে এখানে আরবদের বসতি ছিল। বিমান পরিচালনে আকাশ পথে ন্যাভিগেশনের বিভিন্ন ধাপ রয়েছে। এই এলাকায় মগাদিশুর সাথে যোগাযোগ করা বেশ কঠিন। ভি এইছ এফ কমুনিকেশনের অপ্রতুলতা একটা বড় কারন। অনেকক্ষেত্রে স্যাটেলাইট কমুনিকেশনের আশ্রয় নিতে হয়। এই এয়ার স্পেইসে পাইলটের যোগাযোগের জন্য বিশেষ নিয়ম ফলো করতে হয়। পাইলটরা এই এরিয়াতে বেশ সতর্ক থাকে। বিভিন্ন এয়ারক্রাফটের গতিবিধি মনিটর করতে হয়। অন্য এয়ারক্রাফটের ভুলের জন্য মধ্য আকাশে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এক সময় নাবিকরা আকাশের তারা দেখে দিক নির্ণয় করতো। ওটা সেলেশ্চিয়াল ন্যাভিগেশনের অন্তর্ভুক্ত। চোখে চাঁদ তারা সূর্য আর হরাইযন দেখে দিক নির্ণয় করতো। সে বহু আগের কথা। ট্রান্সপোর্ট পাইলট লাইসেন্স নিতে গেলে অনেকগুলো বিষয়ের মধ্যে এটাও একটা সাবজেক্ট। বর্তমানে জিপিএস যাতায়তের জন্য এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এটা নিয়ে আগ্রহ মানুষের মনে বিদ্যমান। এ প্রসঙ্গে “রেইম” নিয়ে একটু বলতে হচ্ছে। রেইম হচ্ছে স্যাটেলাইট আর জিপিএস এর মধ্যকার রিসিভার মনিটরিং প্রোগ্রাম ডিভাইস। এটার সহায়তায় জিপিএস রিসিভারের মান নির্ধারণ করে পাইলট বিমানের ন্যাভিগেশন করে থাকে। অনেক সময় মহাকাশের নানাবিধ সিগন্যাল জটিলতার কারনে এই রেইম করাপ্ট ইনফরমেশন দিতে থাকে। একজন পাইলট তার টেকনিক্যাল নলেজ দিয়ে এসব প্রতিবন্ধকতা বুঝতে সক্ষম। রেইম এর সঠিক সাহায্য ছাড়া পাইলটের পক্ষে জিপিএস এর দিক নির্দেশনা গ্রহন করা সম্ভব নয়। বলা যেতে পারে শূন্যে মহাসাগরের উপরে বা জনমানবহীন উশর মরু অঞ্চলে ও আকাশপথে জিপিএস কোঅরডিনেট দ্বারা নিখুতভাবে বিমান পরিচালন সম্ভব। তবে জিপিএসের মান সার্বক্ষণিক ভাবে পর্যবেক্ষণ করা অত্যাবশ্যক। অবাক করার মত বিষয় হচ্ছে স্বয়ং বিমানের কাঠামোর দ্বারা রেইম দুর্বল হয়ে ভুল ন্যাভিগেশন সিগন্যাল দিতে পারে। পাইলটের অভিজ্ঞতা ছাড়া এসব খুঁটিনাটি ব্যাপার ধরে ফেলা বেশ মুশকিল। ন্যাভিগেশনের সার্বক্ষণিক নজরদারি ও এর গতিপ্রকৃতির আলামত পর্যবেক্ষণ করা বৈমানিকের কাজ।

মগাদিশু হতে ইয়েমেনের আকাশে প্রবেশ করার আগে বেশ সমস্যা হয়েছিল। ইয়েমেনে তখন বেশ গণ্ডগোল। অনেক চেষ্টা করেও তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারছিলামনা। এমন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আগে হতে কন্টাক্ট না করে আকাশপথে ঢোকা বিপদজনক। শেষমেশ স্যাটেলাইট ফোনে আমাদের অপারেশন সেন্টারের মাধ্যমে তাদেরকে খবর পৌছাতে পেরেছিলাম। এয়ারক্রাফট তো থেমে থাকেনা। হাজারো কিলোমিটারের অধিক স্পীডে ছুটে চলে। সাথে মনের ভাবনাগুলো সমান তালে এগুতে থাকে।

আবিসিনিয়া অর্থাৎ ইথিওপিয়ান সাম্রাজ্য আর ইয়েমেনের মাঝে কত ইতিহাস লুকিয়ে আছে। যুদ্ধবিগ্রহ দখলদারিত্ব গোত্রের মাঝে বিভিদের ইতিহাস রচিত হয়েছে হাজারো বছর ধরে। গ্রীক জিওগ্রাফার টলেমী উর্বর জমির জন্য ইয়েমেনকে হ্যাপি এরাবিয়া হিসাবে আখ্যায়িত করেছিলেন। ইয়েমেনিরা খৃষ্টপূর্ব ১২০০-৮০০ বছর পূর্বে সাউথ এরাবিয়ান অ্যালফাবেট ডেভেলপ করেছিল। এতে করে প্রাচীন ইয়েমেনি রাজত্বকাল বুঝতে সুবিধা হয়। ৬৩০ খৃস্টাব্দে এখানে ইসলামের সূচনা হয়।

বর্তমান বিশ্বের এ পরিস্থিতিতে এভিএশনের সকল মাধ্যমকে প্রতিনিয়ত নিরাপত্তামূলক আদেশ পাঠানো হচ্ছে। বহু এলাকা আছে যেখানে বিমান চলার জন্য পুরপুরি নিষেধ করা আছে। সঠিক জিপিএসের ব্যবহার বিমানের জন্য নিরাপদ। ১৯৬০ সাল থেকে নানারকম কারিগরি ডিজাইন আর অসংখ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় জিপিএস মুখী ভাবনার জন্ম দেয়। ১৯৭৩ সালে প্রথম জিপিএস প্রজেক্টের যাত্রা শুরু হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সে সময় ওরা নেভিগেশন বিষয়ক দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। বিমান ফ্লাইট পরিচালনের জন্য জিপিএস ব্যবহারে ১৯৯৪ সালে ফেডারেল এভিএশন এডমিনিস্ট্রেশন প্রথম অনুমতি দেয়। এখন বিমান চালনায় এটা একটা অত্যাবশ্যকীয় ইন্সট্রুমেন্ট হিসাবে পরিগনিত হয়। বিশেষ করে খারাপ আবহাওয়ায় কিংবা কুয়াশাচ্ছন্ন রানওয়েতে নিখুত নেভিগেশনের মাধ্যমে বিমান ল্যান্ড করার জন্য এর জুড়ি নেই। এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের যেখানে রাডার কাভারেজ নেই সেখানেও শুন্য আকাশে তারাদের মেলায় পৃথিবী পৃষ্টের কারভেচার পরিধির এঙ্গেল পরিমাপ করে জিপিএস দ্বারা নিখুত ও নিরাপদ ভাবে বিমান তার ন্যাভিগেশনের ট্র্যাক বজায় রাখতে সক্ষম।

স্যাটেলাইট ভিত্তিক ন্যাভিগেশনে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে জিপিএস এর ক্রমান্বয় উন্নতি সাধন করে চলেছে ঠিক তেমনি রাশিয়াও “গ্লনাস” আবিষ্কার করে পুরোমাত্রায় তার সুফল ভোগ করছে। গ্লোবাল ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম অর্থাৎ গ্লনাস আর জিপিএস বিমানে ব্যাবহার করার জন্য সূক্ষ্মভাবে এর বিচার বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক সিভিল এভিএশন অরগেনাইযেশন অনুমতি দিয়েছে। আমরা গাড়িতে যে সব জিপিএস ব্যাবহার করে থাকি তা একেবারে সহজতম ভার্শন। বিমানে ব্যাবহারের জন্য যেসমস্ত জিপিএস আছে তা অসংখ্য খুঁটিনাটি বিষয় বিবেচনার মাধ্যমে সফটওয়্যার ম্যাপিং ডেভেলপ করে এয়ারক্রাফটের নানাবিধ সিস্টেমের সাথে এর সমন্বয় সাধনে ব্যাবহার উপযোগী করতে হয়।

ইয়েমেন ছাড়িয়ে এসেছি বেশ কিছুক্ষন হল। তখনও ক্যাবিনে পুরোমাত্রায় ডিনার সার্ভিস চলছে। ওমানের আকাশ সীমা পেরিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে যাবো। ডিসপ্লে স্ক্রিনে ম্যাসেজ এলো আজ কোথায় আমরা পারকিং করতে যাচ্ছি। এটা অপারেশন্স থেকে পাঠিয়েছে। অনেক সময় যাত্রিদের মাঝে টেনশন হয় পরবর্তী কানেকশন ফ্লাইট ধরতে কতক্ষন লাগতে পারে। এই ইনফরমেশনে জানা যায় কত কাছে রয়েছে পরবর্তী বিমান। পিএ বাটন প্রেস করে শুনতে পেলাম ক্যাবিনে পাবলিক অ্যাড্রেস করছে। ক্যাবিন সুপারভাইজার যাত্রীদের এরাইভ্যাল ফর্মালিটি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন।

বিশ্বজুড়ে রয়েছে অগনিত পাহাড় পর্বত। রয়েছে মরুভুমি সমুদ্র মহাসমুদ্র শহর বাড়িঘর মনুমেন্ট। আকাশপথে রয়েছে নানারকমের বিধিনিষেধ যা সময়ের প্রয়োজনে প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। টেকনোলজি এখন এমন পর্যায়ে এসেছে যা সত্যি বিস্ময়কর। সফটওয়্যার ম্যাপিং এ রয়েছে প্রয়োজনীয় অপারেশনাল সব তথ্য। এমনকি বিমানের গতি উচ্চতা মহাশুন্যের অক্ষাংশ দ্রাঘিমাংশের কমপ্লেক্স হিশাব নিকাশ। গর্ব হয় এই ভেবে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রায় আমিও সাক্ষী হয়ে থাকলাম।

আকাশে আজ তারার মেলা বসেছে। সমস্ত প্রতিবন্ধকতার সীমানা ছাড়িয়ে নিরাপদে অসংখ্য যাত্রী নিয়ে নিঃসীম আকাশে ডানা মেলে উড়ে চলে আধুনিক সুপরিসর জেট বিমান।

# আগুন ঝরা মার্চের শুভেচ্ছা রইল ।।

# সুপ্রিয় পাঠক, নিরাপত্তার কারনে আমার লেখায় অনেক কিছুই লিখতে পারি না। বিধি নিষেধ! বিভ্রান্ত না হয়ে আর সেটুকু মেনে নিয়ে সাথে থাকবেন—এই আশা মনে রাখছি । লেখক ।। #
রেহমান রুদ্র । মার্চ ২০২১।
# # রেহমান রুদ্র # #

# রেহমান রুদ্রের লেখাগুলি হ্যালো জনতার কাছে সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত । হ্যালো জনতার সাহিত্য তে সব পাওয়া যাবে ।পড়ুন ।।

এছাড়াও –
শুক্রবারের রান্নাঘরে,প্রকাশিত হয় বৃহস্পতিবার — লিখেছেন হাস্না চৌধুরী

পড়ছেন?আপনিও লিখতে পারেন শুক্রবারের রান্নাঘরে বা আমাদের এখানে ।মেইল করে পাঠিয়ে দিন আমাদের –hellojanata350@gmail.com
এই মেইলে । আপনার নামে আর আপনার ছবিতে পোস্টটি প্রকাশ হবে বৃহস্পতিবার –শুক্রবারের রান্নাঘর এ !!

# একটি হ্যালোজনতা প্রেজেন্টেশন #

।। হ্যালো জনতা.কম ।।

সাবাহ ।।

16 COMMENTS

  1. আকাশ টাকে এমাথা ওমাথা কেটে কেটে টুকরো টুকরো করো তুমি,
    হোক না তা কেকের মতোই মিস্টি অথচ ক্ষুদ্র —
    আর তাতেই আমরা বিমোহিত হই —
    রেহমান রুদ্র।
    মুসা কামাল।।

    • বৈমানিক রুদ্রর লেখা অজানা অনেক কিছু জানার আগ্রহ কে নতুন করে উসকে দিয়েছে । তাই অপেক্ষায় রইলাম ! অসংক্ষ ধন্যবাদ !

  2. ইথিয়োপিয়ান সাম্রাজ্য এবং ইয়েমেন কে নতুন করে জানলাম । নতুন ভ্যানে জানলাম জি পি এস এবং গ্লোনাস সম্পর্কে । লেখার মাঝখানে ইংলিশ শব্দ ধারাবাহিক ভাবেই আসে এবং এটাই স্বাভাবিক…… এতে অসুবিধা নেই । টেকনিক্যাল সব শব্দের বাংলা বর্ণনা সম্ভব না । এই লেখা টি অনেক ইনফরম্যাটিভ । অজানা অনেক কিছুই জানলাম….. শুভকামনা বৈমানিক লেখক । চলুক……!!!!

  3. এখানে বাংলা টাইপে আমার ও ভুল হয়ে গেলো…., ” নতুন ভাবে ” শব্দটি নতুন ভ্যানে উঠে গেছে । কারেকশনের কোনো অপশন পেলাম না ।

    • লেখকের লেখায় আমরা সাধারনত হাত দেই না। সে বললে আমরা পরিবর্তন টি করতে পারি ।
      লেখকের মেইল এ আদেশটি লাগবে । আমি যে দেখি নাই তা নয় তবে বিষয়টি তাঁর উপর ছেড়ে দিয়ে আপাতত
      বসে আছি । ধন্যবাদ ।
      হ্যালো জনতা ।।

  4. My current studies for the work is in progress involves Epigenesis; of many aspects – one striking feature in this, as I called it, ‘Cosmic Memory’ – a divinely setup of mind-nature affinity! In plain – how nature touches your genes and create feelings in your mind and takes you in the travel to the frozen past of humans’ history in the paradise that was lost to taste this earthly life! Captain Rudra takes us in a single stroke to the lost paradise by his wizardly words আকাশে আজ তারার মেলা বসেছে। The soul and mind then speed up with our Captain’s plane through the pitched black darkness to the dreams of return to the Gardens of Adam and Eve somewhere in the eternity captivated into the tranquil serene! Seems too far, so, the reader has to descend with the Captain into the rough rugged earth as if simulating the ‘fall’ and slip into the issues and challenges of Eve and Adam in modern spices! Captain Rahman creates love, feeling, emotion, memory, joy and cry in his so tight frame and tells us to taste how to cook the machine and mind into a soup that one never can feel detested! One feels it has been a too quick sip into the soup that one long so much and misses so much! As if – as quick as his jet Boeing is! A wonderful journey of mind in a beautiful script!

  5. জানার শেষ নাই লেখকের লিখনিতে আরো নতুন কিছু যোগ হলো ,জি পি এস অসাধারন আবিষ্কার এটার সুফল অনেক.

  6. “আকাশে আজ তারার মেলা বসেছে।” I agree with Kazi. The key line of this travel log, dear writer. Or should I say the “log line”? Somehow this logline brought the life to our imagination. Seeing the night sky from above through your eyes gave me a feeling to see a serene world where peace is the only medium to hug each other beyond borders.

    The story evolved with “আকাশে আজ তারার মেলা বসেছে।” and finished with it.. Classic touch.

  7. অনেক সুন্দর। জানতে পারলাম অনেক না জানা তথ্য।

  8. স্যার রুদ্র,অবাক হয়ে
    বিস্য়কর ভাবনার জগতে আপনার লেখায় দেখ্ছি,আকাশে তারার মেলা ।
    So proud to know such a talented pilot.

  9. Excellent comment by Kazi Miah, thanks! Yes, Captain Rudra takes us to almost extraterrestrial world of mind, soul and technology. Its quite a fusion of soulastic (not a spelling mistake) feeling, which only the humans are capable to grasp. Karl Jung, a German philosopher introduced the concept of “collective unconscious” level of our mind, where all the experiences of the Adam race, generation after generation is stored beyond our sphere of ‘knowledge’: we are not conscious of its existence. But, at times I feel the existence, though very vaguely, of that sphere and recall Jivananda Das singing “Hajar Bochor Dhore Ami Poth Hatitechi Prithibir Pore……”! Thank to both of you, Rudra and Mr. Kazi! And same to hellojanata.com.

  10. Those comments are last touch of a painting. Intuitive feelings shape the power of thoughts.
    Abstract mind desire my unspent passion. My heartful thank to all readers.
    Rehman Rudro.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here