“প্রতিরোধ যুদ্ধে চট্টগ্রাম – ১৭ “লিখছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মাহফুজুর রহমান।।

0
53

মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম – ১৭ – বি এল এফ।
মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম ।
বি এল এফ ।।
বি এল এফ এর সদস্যদের জন্য আলাদা কোন ক্যাম্প ছিলনা। সব ক্যাম্প হতে ছাত্রলীগ সদস্যদের অথবা
ছাত্রলীগ কর্তৃক ছাড়পত্র পাওয়া সদস্যদের গোপনে কৌশলে শ্রীধর ভিলায় নেয়া হত। সেখান হতে সরাসরি
ট্রেনিংএ পাঠিয়ে দেয়া হত।
এ ব্যাপারে সাহায্য করতেন ক্যাম্পের ছাত্র প্রতিনিধিরা, যারা সবাই ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা। যেমন হরিনা ছাত্র
প্রতিনিধি আবু মোহাম্মদ হাশেম ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি। এ বি এম নিজামুল হক,
জালালউদ্দিন, কাজী সিরাজ, যারা বিভিন্ন যুব শিবিরে ছিলেন তারা সবাই ছিলেন ছাত্রলীগের নেতা ও কর্মী। এরাই
বিভিন্ন যুব শিবির থেকে ছাত্রলীগের বাছাই করা কর্মীদের বি এল এফ এ পাঠিয়ে দিতেন। এ ব্যাপারে সেনা
অফিসারদের অনেকে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। বি এল এফ এর যারা ছেলে ধরা নামে বিভিন্ন ক্যাম্প
হতে বি এল এফ সদস্য (রিক্রুট করা) সর্বাধিক পরিচিতি লাভ করেছিলেন তার মাঝে অন্যতম ছিলেন স্বপন
কুমার চৌধুরী, এস এম ইউসুফ ও সাবের আহম্মদ আসগরী।
বি এল এফ এর দুটা ট্রেনিং সেন্টার ছিল:
দেরাদুন-তান্দুয়া:
প্রথম ট্রেনিং সেন্টারটি ছিল দেরাদুনে ও পরে তা তান্দুয়ায় স্থানান্তরিত করা হয়। নেতাদের মাঝে এখানে
ট্রেনিং নিয়েছেন নুরে আলম জিকু, হাসানুল হক ইনু, আ ফ ম মাহবুবুল হক প্রমূখ। চট্টগ্রাম হতে এখানে
ইন্সট্রাকটর হিসেবে থেকে যান ফাহিম উদ্দিন আহমদ, ডাঃ সাদাকাতউল্লাহ, জাফর আহমদ প্রমূখ। এ ট্রেনিং
ক্যাম্পের বিভিন্ন সময়ে দায়িত্বে ছিলেন নুরে আলম জিকু, হাসানুল হক ইনু প্রমূখ।
হাফলং:
বি এল এফএর দ্বিতীয় ট্রেনিং সেন্টারটি ছিল এখানে।
তান্দুয়া ও হাফলং কাংম্পে ট্রেনিং ভারতীয় অফিসাররা দিলেও তা রাজনৈতিকভাবে পুরোপুরি ছাত্রলীগ চরমপন্থী
উভয় গ্রুপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হত। কোন সময়ই ভারতীয় নিয়ন্ত্রণ ক্যাম্প নেতারা মেনে নেননি। এ ব্যাপারে
কয়েকবার ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথে ছাত্রনেতাদের মনোমালিন্য হয়েছে।
দেমাগ্রী:
নভেম্বরে দিকে বি এল এফ ট্রেনিং এর জন্য রিক্রুট বন্ধ হয়ে গেলে এখানে বিপুল সংখ্যক যুবককে ট্রেনিং দেয়া
হয়। চট্টগ্রাম থেকে শেষদিকে যারা দেমাগ্রী গেছেন তাদের সবাইকে বি এল এফ এ যোগ দিতে হয়েছে। এমনকি
চট্টগ্রাম হতে ক্যাপ্টেন করিম গ্রুপের কামালউদ্দিন, আবু তাহের, এম এন ইসলাম প্রমূখ বি এল এফ এ যোগ
দিয়ে বাংলাদেশে পুনঃ প্রবেশ করেন।

রিক্রুট- বি এল এফ/এফ এফ:
বি এল এফ এ নেয়ার ব্যাপারে চট্টগ্রামে যাদের মতামত চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হত তারা হলেন এম এ মান্নান,
এস এম ইউসুফ, আবু সালেহ, মোখতার আহমদ, সাবের আহমদ আসগরী, স্বপন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার ইবরাহিম
প্রমূখ। এদের যে কেউ সুপারিশ করলে তাকে বি এল এফ এ নেয়া হত। ছাত্রকর্মী সংগ্রহে ক্যাম্পে অবস্থানরত
ছাত্রলীগ কর্মী, নেতা ছাড়াও থানা পর্যায়ের ছাত্রলীগ নেতারাও ছাত্র সংগ্রহে ব্যস্ত থাকতেন। মিরশ্বরাই এর
বেলায়েত হোসেন চৌধুরী, আলতাফ হোসেন, রাখাল চন্দ্র বণিকসহ অনেকেই বি এল এ রিক্রুটের ব্যাপারে জড়িত
ছিলেন।
এফ এফ রিক্রুটের ব্যাপারেও ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ কর্মী ও সমর্থকদের প্রাধান্য দেয়া হত। ছাত্র ইউনিয়ন
কর্মীরা সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন এফ এফ ক্যাম্পগুলোতে তাদের রাখা হতনা। বামপন্থী অনেক কর্মীকে মেরে
ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোণ রয়েছে। শহর কমান্ডের ইলিয়াস জানিয়েছেন, ছাত্র ইউনিয়ন করার কারণে প্রথমে
তাকে ট্রেনিং এর জন্য নেয়া হয়নি। পরে কৌশলে তিনি এফ এফ এ ঢোকেন। এ জাতীয় আরো বক্তব্য পাওয়া পেয়ে
যাতে প্রমাণিত এফ এফ এর ট্রেনিং বামপন্থীদের জন্যে প্রাথমিকভাবে বন্ধ ছিল। পরবর্তীতে ভিন্নভাবে এদের
ট্রেনিং এর ব্যবস্থা হয়। অনেকে পরিচয় গোপন রেখে ট্রেনিং নেন।
ভারতের ক্যাম্প সমূহের বিবরণ শুধুমাত্র সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে গ্রন্থিত করা হয়েছে। ফলে হাজার হাজার
নাম বাদ পড়েছে। ক্যাম্পের থাকা, ট্রেনিং নেয়ার কষ্টকর ও আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা, যুদ্ধের জন্য দেশে
ঢোকার পূর্বের অনুভূতি- এ সব নিয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান প্রয়োজন।
ভারতেও দ্বন্দ্ব, বিপদ:
ভারতে বামপন্থী কর্মীদের এফ এফ এর ট্রেনিং দিতে বাঁধা দান করা হত। কোন ক্যাম্প প্রধান বাছাই করে ছেলে
না পাঠালে তাকে সর্তক করে দেয়া হত। এম এ হান্নান এরকম একটি সর্তকীকরণের সম্মুখীন হয়েছিলেন।
রুশপন্থীদের ট্রেনিংএর ব্যাপারে পরবর্তীতে একটি সুরাহা হলেও চীনপন্থীদের ট্রেনিং এর তেমন কোন সুরাহা
হয়নি। ছোট একটি ক্যাম্প চালু হলেও পরবর্তীতে চট্টগ্রামের সে ক্যাম্পটি বন্ধ হয়ে যায়। যুদ্ধের ব্যাপারে
আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগের একচেটিয়া কর্তত্ব ছিল।
এসব দ্বন্দ্ব ছাড়াও ছাত্রলীগের পুরানো দ্বন্দ্বটি ভারতে নতুন করে দেখা দেয় পুরোপুরি ভাবে। বি এল এফ
এখানেও দু ভাবে বিভক্ত ছিল এবং স্নায়ুযুদ্ধ চলছিল দু'গ্রুপের মাঝে। আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের এ দ্বন্দ্ব
সেনাবাহিনীকেও প্রভাবিত করে আংশিকভাবে। দক্ষিণ পূর্ব জোনের চেয়ারম্যান নির্বাচনে অধ্যাপক নুরুল
ইসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। এখানেও জেলা শহর দ্বন্দ্ব কাজ করেছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে হরিনাতে আ স
ম রবকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এটা ছিল জেলা শহর গ্রুপের দ্বন্দ্বে জেলা গ্রুপের শক্তি
প্রর্দশনীর মহড়া। জেলা গ্রুপের বেশ কয়েকজন সদস্য দাবি করেছেন, এ গ্রুপিংএ মেজর রফিক ভিতরে ভিতরে
তাদের সমর্থন করতেন। যদিও মেজর রফিক তা কখনো কোথাও স্বীকার করেননি। অবশ্য হরিনা ক্যাম্পে জেলা
আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের একচেটিয়া কর্তৃত্বের কারণে সেনা কর্তৃপক্ষকে তাদের সাথেই বেশী যোগাযোগ
করতে হয়েছে। তবে এ দ্বন্দ্ব ভারতে কখনও প্রকাশ্য রূপ নেয়নি ও তা যুদ্ধকে বিপরীত ধারায় প্রভাবিত করতে
পারেনি। রাজনৈতিক এ ঝগড়ার বাইরেও কিছু ঘটনায় ভারতে বিপদের ধারা কি ছিল তার আভাস পাওয়া যাবে।
* ক্যাপ্টেন করিম ছিলেন নিঃসন্দেহে একজন সাহসী যোদ্ধা। দক্ষিণ জেলার সব যোদ্ধা এখনও তাকে শ্রদ্ধার
সাথে স্মরণ করেন। ভারতে ক্যাপ্টেন করিম সম্পর্কে অত্যন্ত খারাপ প্রচারণা চালান হয়। এর প্রেক্ষিতে
ভারতে অবস্থানরত নেতারা করিমকে সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং সম্ভবতঃ সে কারণেই ক্যাপ্টেন করিমকে
হত্যা করা হয়। মূলত এটি ছিল ক্ষমতার দ্বন্দ্ব।
* বোয়ালখালী-রাঙ্গুনিয়ায় বেশকিছু অপারেশন শেষে আবু আলম ভারতে গেলে তাকে নক্সালী মনে করে আটকে রাখা
হয় দেমাগ্রী ক্যাম্পে। পরবর্তীতে আবু সালেহ, রুপেন চৌধুরী প্রমূখ তাকে ছাড়িয়ে আনে এবং তিনি পরে যৌথ
বাহিনী কর্তৃক সম্মানিত হয়ে কোম্পানীর দায়িত্ব পান।
* উদয়পুরে রাঙ্গুনিয়ার কমান্ডার সালেহ আহমদকে স্পাই মনে করে আটক করা হয়। আটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ
দিক সম্পর্কে সালেহ আহমদ বলেন, “আমি অস্ত্রসহ ভারত গেলে ভারতীয় সেনাবাহিনী আমাকে ধরে নিয়ে যায়।
এ সময় হাটহাজারীর এম পি জনাৰ ওহাব সাহেব আমাকে দেখেও উদ্ধার করেননি। পরে আমাকে মেজর রফিকের
ওখানে বন্দী করে রাখা হয়। চট্টগ্রামের এম এ মান্নান চেষ্টা করেও আমাকে ছাড়িয়ে নিতে পারেননি। পরে
আমাকে এম এ ওহাব, নুরুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখের সাথে একই গাড়ীতে করে জেলা সদর দফতরে নিয়ে যাওয়ার
পথে আগরতলায় রুশ্নিকে পাই। সব কথা শুনে রুশ্নি গাড়ীকে শ্রীধর ভিলায় যেতে বাধ্য করেন। সেখানে উল্টা জনাব
ওহাব ও নুরুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে ছাত্ররা দুর্ব্যবহার করে। শেখ মণি এলে ব্যাপারটির মীমাংসা হয়। শেখ মণি
পরে এ ব্যাপারে ব্রিগেডিয়ার সাবেক সিং এর সাথে মীমাংসা করেন ও এ জাতীয় ঘটনা ঘটবে না বলে কথা নেন।
জনাব সালেহ আহমদের এ বক্তব্যে ধারণা করা যায়- বি এল এফ গঠন নিয়ে আওয়ামী লীগের অনেকে ক্ষুব্ধ ছিল।
এটি ছিল তারই বহিঃ প্রকাশ। মেজর রফিক দ্বন্দ্বের ব্যাপারে লিখেছেন ভারতে আওয়ামী লীগ, ছাত্রগ্রুপ ও
সেনাবাহিনী সবাই মাতব্বরী করতে চাইছে। দ্বন্দ্বের ব্যাপারে মেজর রফিকের এ বক্তব্য লক্ষ্যণীয়, তার মতে
এখানে দ্বন্দ্ব হয়েছে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও সেনাবাহিনীর মাঝে। ডানপন্থী বামপন্থীদের মাঝে নয়।
* তান্দুয়া ট্রেনিং ক্যাম্পের দ্বন্দ্বের বিবরণ দিতে গিয়ে শওকত হাফিজ খান রুন্নি বলেন, “শিবনারায়ন দাশের
একটি আলাদা রুম ছিল, আমরা প্রতিদিনই সেখানে বসতাম। আমাদের ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি নিয়ে আলোচনা
করতাম। উল্লেখ এরা সবাই সিরাজ গ্রুপের সদস্য ছিলেন। জনাব রুশ্নি আরো জানান, শেখ মণি একবার তান্দুয়ায়
তার ভাষণে বলেন, "এখানে কিছু গোলমাল চলছে। কিছু কিছু বিশ্বাসঘাতকের কারণে স্বাধীনতা বিপর্যস্ত করা
যায় না। প্রয়োজনে তান্দুয়ার মাটি তাদের রক্তে রঞ্জিত হবে।" এ বক্তব্যের পর আমরা সিরাজ ভাইকে তা
জানালে তিনি কিছু বলেননি। তার নীরবতার কারণে দ্বন্দ্ব এড়ান সম্ভব হয়েছে-জনাব রুগির এ বক্তব্য সত্য বলে
মেনে নেয়া যায়। তান্দুয়াতে তখন স্নায়ুযুদ্ধ চলছিল। তবে তা কখনই প্রকাশ্য রূপ পায়নি।
* চট্টগ্রামের চুড়ান্ত কমান্ড ঠিক করা হয়েছিল জেলা গ্রুপ এর এক বৈঠকে যাতে উপাস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের
স্বপন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার আফসার, সাবের আহমদ আসগরী, আওয়ামী লীগের এম এ হান্নান, মীর্জা আবু
মনছুর ও মোশাররফ হোসেন। এ বৈঠকে মেজর রফিকও ছিলেন। এদের বৈঠকে চট্টগ্রাম এফ এফ ও যৌথ কমান্ত
চূড়ান্ত করা হয়। এ তথ্য দিয়েছেন ৩ জন সাক্ষাৎদানকারী, এদের তৈরী কাঠামোই সম্ভবতঃ পরে অনুমোদিত
হয়ে তা চূড়ান্ত রূপ পায়। যদিও শহর কমান্ডের ইঞ্জিনিয়ার আফসারকে শহর কমান্ডার করতে শহরের জেলা
গ্রুপ সমর্থক যোদ্ধাদের দৃঢ় ভূমিকা নিতে হয়েছে।
* বিভিন্ন স্থানে অসুখেও অসংখ্য যোদ্ধা মারা যান। দৌলতপুরের আবুল হাশেম ছিলেন এ রকম মৃত্যুর শিকার।
শ্রীনগর বাজারে নামাজ পড়া অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন মোঃ আবদুল জলিল।
* ভারতের শ্রীধর ভিলা হতে সাবরুম যাওয়া পথে সড়ক দূর্ঘটনার হাত হতে বেঁচে যান চট্টগ্রামের এম এ মান্নান,
মাহফুজ, ফজলুল হক, ঢাকার মন্টু, রাজু। পাহাড়ী পথে চালক রাজুর সাহসিকতার কারণে গাড়ী খাদে পড়তে পড়তে
বেঁচে যায়।
* বোয়ালখালীর সৈয়দ মোঃ আবুল কাশেম খান ছাত্র ইউনিয়ন করতেন। তিনি ভারতে গেলে রাজনৈতিক কারণে তাকে
ট্রেনিং দেয়া হয়নি। পরে অপর বামধারার গ্রুপ আবুল হোসেনের সাথে মিলে তিনি কাজ করেন।
পৃষ্ঠা: ৩৪১-৩৪৩
বাঙালির জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম
ডাঃ মাহফুজুর রহমান
প্রকাশ – ১৯৯৩
মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম ১৮ – আগামী কাল ক্যাম্পগুলোর অবস্থা।।

লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মাহফুজুর রহমান।।
কৃতজ্ঞতা স্বীকার – দেওয়ান মাবুদ আহমেদ ।
——
# আপনাদের আরো পড়ার সুবিধার্থে আমাদের hellojanata APP ডাউন লোড করে নিন গুগল প্লে থেকে ।
Android Apps Link:-

https://play.google.com/store/apps/details?id=hello.janata&hl=en&gl=US
———–
এই পোর্টালে যারা লিখে্ন নিয়মিত —

# পড়ুন #

# প্রতিদিন— “বাঙালির জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম -লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মাহফুজুর রহমান”।
# বুধবার— “ভ্রমন”পড়ুন।। লেখক মুহাম্মদ মনসুরুল আজম , খসরু খান এবং অন্যান্য লেখক রা লিখেন এ খানে — । ~~~
# বৃহস্পতিবার — শুক্রবারের রান্নাঘর প্রকাশিত হয় বৃহস্পতিবার –লিখেন ফিরোজা বেগম লুনা । ~~~~
# শুক্র বার— ” বৈমানিকের পাণ্ডুলিপি” লিখেন বাঙ্গালি বৈমানিক”রেহমান রুদ্র”।”
# শনিবার—আমেরিকার বাল্টিমোর থেকে ধারাবাহিক লিখেন লেখক আবদুল হাকিম। তিনি লিখবেন তাঁর নিজস্ব বানান রীতিতে । প্রতি শনিবার ।
# রবিবার— ” রবিবাসরীয় কবিতা” পাবেন প্রতি রবিবার । এখানে লেখক মাহবুবা ছন্দা, তাসলিম_তামিম, মেহের সরকার নিয়মিত লেখেন আর লিখবেন ।
# কলামিস্ট ও লেখক দেওয়ান মাবুদ আহমেদ লিখেন এখানে হরহামেশাই ।
# সাহিত্য পেজে পাবেন প্রখ্যাত লেখক এবং সাংবাদিক,সংগঠক দন্ত্যস রওশন এর নতুন অনুকাব্য । ~~~
# সামনেই যে লেখকরা তাঁদের লেখা আমাদের এখানে নিয়মিত দেবেন বলে কথা দিয়েছেন তাঁরা হলেন — মঈন বিন নাসির- একটি প্রকাশিত, নন্দিনী সাবরিনা খান (কানাডা থেকে)। আমরা তাঁদের স্বাগত জানাই ।

# একটি হ্যালোজনতা প্রেজেন্টেশন #

।। হ্যালো জনতা.কম ।।

নুপুর ।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here