বন মর্মরের চিঠি ২ — বেলজিয়াম থেকে লিখেছেন মঈন বিন নাসির ।

0
99

বনমর্মর-২
নামটি মনে করতে পারছিনা।
বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার।
ফিল্মটি ছিলো প্রামাণ্য চরিত্রের।
যাবতীয় প্রস্তুতি শেষে ’ডো’টুকুব মাঝে একখন্ড আপেল
গুঁজে আভেনে ঢোকালেন। বের করলেন ঝাড়া ১০ মিনিট পর।
কোন বাক্যালাপ নেই।
শুধুই কিচেনের টুংটাং শব্দ।
অবশেষে বেরিয়ে এলো
লোভনীয় এক ’আপেল পাই’।
কফির পানি গরমে দিয়ে আরো টুকটাক কাজ সারলেন।
ততক্ষণে রুম টেম্পারেচারে এসে গেছে ’পাই’টি।
চোখ বুঁজে পরম আয়েসে এক কামড় বসালেন।
চিবুতে থাকলেন পরম পরিতৃপ্তির সাথে।
তবুও কোন কথা নেই।
কবিতাই বুঝি না, তার চলচ্চিত্রেরভাষা বুঝবো কি?
তুমি বুঝিবা হাসছো ভাবছো আর বলছো খাটাস!
বসে রইলাম বন্ধুবর তারেক মাসুদের নানান গল্পকথার প্রভাবে।
ও তখনো এখানে, এই পৃথিবীতেই।
অবশেষে সাঁ করে ক্যামেরা উঠে গেল তারকালোকে ।
অসংখ্য তারার ভীড়ে গিয়ে ফ্রীজ হল তা একটি তারার উপর।
আপেল পাইটির এই স্বাদটি গ্রহন করতে ঐ তারাটির ওখানেই থাকা অত্যাবশ্যক ছিলো– – এতক্ষণে কথা কইলেন পাঁচক-খাদক!
ভ্যাবলার মতো বসে রইলাম।
কিসের সাথে কী ?!
পরে বুঝলাম: গোটা মহাবিশ্বের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রতিটি কণার মাঝে একটিই মাত্র মহাজাগতিক সুরের সূত্রবন্ধন আবিষ্কার করছিলেন তিনি।
মাফ চেয়ে প্রণাম জানালাম তাঁকে।
একেই বলে ডকুমেন্টারি!
দলিলের আর দরকার নেই, বুঝে গেছি আমি (সুতরাং খাটাস নই!)।
চাঁদের চৌম্বকীয় আকর্ষণ থাকতেই পারে, কিন্তু পানি তো আর ধাতব কিছু নয়।
তবুও কেন উথলে ওঠে তা চাঁদের আকর্ষণে?
আমি জানি না।
জানলে বলে দিও।
এও সম্ভবত ঐ মহাজাগতিক ঐকতানের একটি ’নোট’!
পপলার গাছ গুলো হঠাৎই একরাশ পাতা ঝরিয়ে দিলো ঠান্ডা হাওয়ার আচমকা ঝাপটায়।
কিছু গিয়ে পড়লো ছোট্ট ’সুইমিং পুল’টির মাঝে।
কালকে’পুল ক্লিনার’রা সৎকার করবে ওদের।
ভুলে যাবে একদিন মাতৃবৃক্ষটিও।
এটাই জীবনের রথযাত্রা।
জীবন আর মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে অস্তিত্বহীন এক আমি অনুভব করলাম জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব।
স্থায়িত্ব যার চোখের পলকের, তবুও কি মহামূল্যবান এই জীবন:
তাকে খুঁজে নিতে হবে ঐ মহাকাশে তার ঠিকানা।
হয় জ্বলন্ত হুতাশন, নয় স্বর্গীয় বাগিচা।
মাথাটা ঘুরে উঠলো ।
জানালা থেকে সরে এলাম।
ঠায় বসে রইলাম কিছুক্ষণ।
সকালে নিউইয়র্কের দীর্ঘ যাত্রা।
ঘুম আসছেনা তবুও ঘুমাতে হবে- ডিউটি!
এভাবেই চলছে বহুদিন, সম্ভবত ততদিন, যখন ’ফটিকের ছুটি হবে- সে বাড়ি যাবে’!
দেখ!
পাহাড়ের মাথায় চাপ চাপ কান্না জমে না থাকলে কে কি কোন দিন নদী হয়ে বয়ে যেত?!
সাগরে পড়ার মুহূর্ত পর্যন্ত দু’কুল জুড়ে বসাতো কি ফসলের মেলা?!
খেত কি মানুষ ?
এটাই জীবন।
উঠে দাঁড়া ও !
বয়ে যাও নদীর মতো।
বসাও ফসলের মেলা!

মাঝে মধ্যে ফুল ফোটাতে ভুলোনা কিন্তু!


মঈন বিন নাসির ।
লেখক ।

——
# আপনাদের আরো পড়ার সুবিধার্থে আমাদের hellojanata APP ডাউন লোড করে নিন গুগল প্লে থেকে ।
Android Apps Link:-

https://play.google.com/store/apps/details?id=hello.janata&hl=en&gl=US
———–
এই পোর্টালে যারা লিখে্ন নিয়মিত —

# পড়ুন #

# প্রতিদিন— “বাঙালির জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম -লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মাহফুজুর রহমান”।
# বুধবার— “ভ্রমন”পড়ুন।। লেখক মুহাম্মদ মনসুরুল আজম , খসরু খান এবং অন্যান্য লেখক রা লিখেন এ খানে — । ~~~
# বৃহস্পতিবার — শুক্রবারের রান্নাঘর প্রকাশিত হয় বৃহস্পতিবার –লিখেন ফিরোজা বেগম লুনা । ~~~~
# শুক্র বার— ” বৈমানিকের পাণ্ডুলিপি” লিখেন বাঙ্গালি বৈমানিক”রেহমান রুদ্র”।”
# শনিবার—আমেরিকার বাল্টিমোর থেকে ধারাবাহিক লিখেন লেখক আবদুল হাকিম। তিনি লিখবেন তাঁর নিজস্ব বানান রীতিতে । প্রতি শনিবার ।
# রবিবার— ” রবিবাসরীয় কবিতা” পাবেন প্রতি রবিবার । এখানে লেখক মাহবুবা ছন্দা, তাসলিম_তামিম, মেহের সরকার নিয়মিত লেখেন আর লিখবেন ।
# কলামিস্ট ও লেখক দেওয়ান মাবুদ আহমেদ লিখেন এখানে হরহামেশাই ।
# সাহিত্য পেজে পাবেন প্রখ্যাত লেখক এবং সাংবাদিক,সংগঠক দন্ত্যস রওশন এর নতুন অনুকাব্য । ~~~
# সামনেই যে লেখকরা তাঁদের লেখা আমাদের এখানে নিয়মিত দেবেন বলে কথা দিয়েছেন তাঁরা হলেন — মঈন বিন নাসির- একটি প্রকাশিত, নন্দিনী সাবরিনা খান (কানাডা থেকে)। আমরা তাঁদের স্বাগত জানাই ।

# একটি হ্যালোজনতা প্রেজেন্টেশন #

।। হ্যালো জনতা.কম ।।

নুপুর ।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here