ভ্রমন– নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে মহেশখালী – লিখেছেন মুহাম্মদ মন্সুরুল আজম।

0
114

পান, মাছ, শুটকি, লবন আর মুক্তা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত মহেশখালী উপজেলা। বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালীর মোট আয়তন প্রায় ৩৬২ বর্গ কিলোমিটার। কক্সবাজার থেকে এর দূরত্ব ১২ কিলোমিটার। কক্সবাজার থেকে স্পীড বোটে করে মাত্র ২০ মিনিটেই চলে যেতে পারবেন মহেশখালী। কক্সবাজার থেকে ৪/৫ ঘন্টা সময় ব্যয় করলেই এই দ্বীপে ঘুরে আসা যায়।

এই দ্বীপে রয়েছে সুন্দরবনের মতো ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট আর ছোট ছোট পাহাড়। কথিত আছে এক প্রচন্ড ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে এই দ্বীপের জন্ম হয়েছিল। লবণ ও পান ব্যবসার প্রধান কেন্দ্র এই মহেশখালী। এছাড়া চিংড়ি, শুটকি এবং মুক্তার উৎপাদন এই উপজেলাটিকে দিয়েছে আলাদা পরিচিতি। আদিনাথ মন্দির,শুটিং ব্রিজ সহ রয়েছে বেশকিছু আকর্ষণীয় স্থান।

বাংলাদেশ সরকার এই দ্বীপের উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। বাংলাদেশের গ্যাস সংকট হ্রাস করতে এই দ্বীপে ২টি এল এন জি গ্যাস টারমিনাল তইরি করা হচ্ছে। ২০৪১ সাল নাগাদ সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে মহেশখালীতে। কয়লাভিত্তিক ১২ টি, বায়ুভিত্তিক ১ টি ও সৌরশক্তির ২টি। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি এখানেই তইরি করছে দেশের সবচেয়ে বড় তেলের ডিপো। বেজা নির্মান করছে ৫ টি অর্থনৈতিক অঞ্চল,যেখানে ভারী শিল্প কারখানা থাকবে।

প্রকল্প গুলোতে চীন,যুক্তরাষ্ট্র,দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, কুয়েত ও থাইল্যান্ড থেকে বিনিয়োগ আসছে। সমুদ্র বন্দর নির্মানের কাজ ও এগিয়ে চলছে পুরোদমে। ২০২৪ সালে যা চালু হবার কথা রয়েছে। মহেশখালী দ্বীপে সব কটি প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিমাণ প্রাথমিকভাবে ধরা হয়েছে প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা। জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মানের জন্য ইতিমধ্যে জমি চেয়েছেন।

মহেশখালী দ্বীপের দর্শনীয় স্থানগুলো হলো
১. সোনাদিয়া দ্বীপ
২. আদিনাথ মন্দির ও আদিনাথ মেলা
৩. বৌদ্ধ কেয়াং বা মন্দির
৪. রাখাইন পাড়া
৫. স্বর্ণ মন্দির
৬. মৈনাক পর্বত

মহেশখালী দ্বীপ ঘিরে দেশী-বিদেশী অর্থায়নে উন্নয়নের যে মহাযজ্ঞ শুরু হয়েছে তাতে শুধু এলাকা নয়, দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির চেহারা পাল্টে যাবে বলে সবাই ধারণা করছেন। নিছক ভ্রমণের জন্য নয় অদূরে এই দ্বীপ হয়ে উঠবে ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য প্রধান এক কেন্দ্র।

লিখা ও ছবি –
মুহাম্মদ মন্সুরুল আজম।


——
# আপনাদের আরো পড়ার সুবিধার্থে আমাদের hellojanata APP ডাউন লোড করে নিন গুগল প্লে থেকে ।
Android Apps Link:-

https://play.google.com/store/apps/details?id=hello.janata&hl=en&gl=US
———–
এই পোর্টালে যারা লিখে্ন নিয়মিত —

# পড়ুন #

# প্রতিদিন— “বাঙালির জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম -লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মাহফুজুর রহমান”।
# বুধবার— “ভ্রমন”পড়ুন।। লেখক মুহাম্মদ মনসুরুল আজম , খসরু খান এবং অন্যান্য লেখক রা লিখেন এ খানে — । ~~~
# বৃহস্পতিবার — শুক্রবারের রান্নাঘর প্রকাশিত হয় বৃহস্পতিবার –লিখেন ফিরোজা বেগম লুনা । ~~~~
# শুক্র বার— ” বৈমানিকের পাণ্ডুলিপি” লিখেন বাঙ্গালি বৈমানিক”রেহমান রুদ্র”।”
# শনিবার—আমেরিকার বাল্টিমোর থেকে ধারাবাহিক লিখেন লেখক আবদুল হাকিম। তিনি লিখবেন তাঁর নিজস্ব বানান রীতিতে । প্রতি শনিবার ।
# রবিবার— ” রবিবাসরীয় কবিতা” পাবেন প্রতি রবিবার । এখানে লেখক মাহবুবা ছন্দা, তাসলিম_তামিম, মেহের সরকার নিয়মিত লেখেন আর লিখবেন ।
# কলামিস্ট ও লেখক দেওয়ান মাবুদ আহমেদ লিখেন এখানে হরহামেশাই ।
# সাহিত্য পেজে পাবেন প্রখ্যাত লেখক এবং সাংবাদিক,সংগঠক দন্ত্যস রওশন এর নতুন অনুকাব্য । ~~~
# সামনেই যে লেখকরা তাঁদের লেখা আমাদের এখানে নিয়মিত দেবেন বলে কথা দিয়েছেন তাঁরা হলেন — মঈন বিন নাসির-(প্রকাশিত) , নন্দিনী সাবরিনা খান (কানাডা থেকে)। আমরা তাঁদের স্বাগত জানাই ।

# একটি হ্যালোজনতা প্রেজেন্টেশন #

।। হ্যালো জনতা.কম ।।

নুপুর ।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here